বিজ্ঞাপন

বইমেলায় পাঠক স্রোতে বাজছিল বিদায়ের সুর

February 28, 2020 | 10:54 pm

পার্থ সনজয়

বিকেল থেকে সন্ধ্যা। বইমেলায় পাঠক এসেছে স্রোতের মতো। একেতো শুক্রবার, তার ওপর মাত্র একদিন বাকি। তাই যেন পাঠক হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল কাঙ্ক্ষিত বই কিনতে।

বিজ্ঞাপন

শেষবেলায় জনসমুদ্রের মেলায় আগত সবারই ব্যস্ততা ছিল বই সংগ্রহে। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কর্মীদের কাছে তালিকা ধরে বই চাচ্ছিলেন পাঠক। বিরতিহীনভাবে অটোগ্রাফ দিয়েছেন জনপ্রিয় লেখকরা। আর বই বিক্রির হিসাব নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রকাশকরা। তবে সবখানেই ছিল বিদায়ের বার্তা।

অন্যপ্রকাশের প্যাভিলিয়নে এসেছিলেন কথাসাহিত্যিক মনজুরুল ইসলাম। বিকেলে তার সঙ্গে যোগ দিলেন জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ। এলেন আরেক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। সবাই মিলে মোড়ক খুললেন ক্ষুদে লেখক অন্বয় মাজহারের ভ্রমণ কাহিনী ‘দ্য ম্যাজিকিল ওয়ার্ল্ড অব থাইল্যাণ্ড’-এর।

বিজ্ঞাপন

বইমেলায় পাঠক স্রোতে বাজছিল বিদায়ের সুর

বাতিঘরে পাঠকদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন অনুবাদক জিএইচ হাবীব তার অনুবাদের বই উমবের্তো একোর ‘দ্য নেইম অব দ্য রোজ’ অবলম্বনে ‘গোলাপের নাম’ নিয়ে। বইটি তার দীর্ঘ সময়ের অনুবাদ।

বিজ্ঞাপন

পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্সের প্যাভিলিয়নের আড্ডার নেতৃত্বে বরাবরের মতোই ছিলেন সত্ত্বাধিকারী কামরুল হাসান শায়ক। শিশুসাহিত্যিক পলাশ মাহবুব, সংগীতা ইমাম, মারুফ রসুলসহ প্রকাশ-পাঠক-লেখক আড্ডায় জমজমাট ছিল এই প্রাঙ্গণ।

পাঠক ভিড় কিংবা আড্ডা মেলার কোন অংশে ছিল না! লিটল ম্যাগ চত্বর, অ্যাডর্ন চত্বর কিংবা লেখক বলছি মঞ্চ ঘিরে জমাটি ছিল আড্ডা। বইও বিক্রি হয়েছে তাল মিলিয়ে। যদিও প্রকাশকরা বলছিলেন, বিক্রি ভালো বৃহস্পতিবার থেকেই।

বিজ্ঞাপন

বইমেলায় পাঠক স্রোতে বাজছিল বিদায়ের সুর

২৭তম দিনে নতুন বই এসেছে ৩৪১টি। আর সাতাশ দিনে এলো ৪ হাজার ৭৩৫টি। এর মধ্যে বাসিয়া প্রকাশনী থেকে এসেছে ড. সফিউদ্দিন আহমদের ‘ইয়ংবেঙ্গল মুভমেন্ট একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লব’, পার্বণ প্রকাশ এনেছে মাসুদ সেজান সম্পাদিত আবৃত্তির বই ‘আবৃত্তি: নির্বাচিত প্রবন্ধ ও ১০০ কবিতা’।

বিজ্ঞাপন

মূল মঞ্চে আলোচনার বিষয় ছিল বাংলা একাডেমি প্রকাশিত আবুল কাসেমের ‘বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক উন্নয়নদর্শন: জাতীয়করণনীতি এবং প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ বইটি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অসীম সাহা। সভাপতিত্বে ছিলেন অর্থনীতিবিদ আতিউর রহমান।

বইমেলায় পাঠক স্রোতে বাজছিল বিদায়ের সুর

এদিকে সকালটায় শিশুপ্রহরেও পাঠক ভিড় কম ছিল না। সিসিমপুরের হালুম-ইকড়ি আর শিখুর সাথে বাড়তি আনন্দ নিয়েই বই কিনেছে শিশুরা।

সারাবাংলা/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন