বিজ্ঞাপন

আংটি বদল হলো না ইমনের, এখন গন্তব্য কবরস্থান

March 6, 2020 | 6:47 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

হবিগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের পাগলার আব্বাছ উদ্দিনের ছেলে ইমন। বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাচ্ছিলেন পছন্দের মানুষকে আংটি পরাতে। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা তার সব স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে। বিয়ের আসরের জন্য নয়, ইমনকে এখন প্রস্তুত করা হবে কবরে সমাহিত হওয়ার জন্য।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৬ মার্চ) ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক জানান, সকাল ৬টার দিকে ঢাকা থেকে সিলেটগামী একটি হাইয়েস মডেলের মাইক্রোবাস নবীগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাও এলাকায় পৌঁছলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এসময় গাড়িটি রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই মারা যান আটজন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে মারা যান আরও দুইজন।

বিজ্ঞাপন

আংটি বদল হলো না ইমনের, এখন গন্তব্য কবরস্থান

নিহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন, পাগলা এলাকার আইএফসিআই ব্যাংকের কর্মচারী আব্বাছ উদ্দিন, তার ছেলে ইমন (২৭), রাব্বি (২৪), নিকট আত্মীয় মহসিন (৩০), রাজিব (২৮), সুমনা (৩৪), তার মেয়ে খাদিজা (৪) ও বরিসালের চাঁদপাড়া এলাকার আসমা আক্তার (৩০)।

বিজ্ঞাপন

মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ আরোহীর সংখ্যা ছিল ১২ জন। এর মধ্যে চালক ও ইমনের এক আত্মীয় ছাড়া বাকি সবার মৃত্যু হয়েছে।

ওসি বলেন, ইমন যে আংটি বদলের জন্য যাচ্ছিলেন সেটিও দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাওয়া গেছে একটি নতুন নাকফুলও। সেগুলো এখন তাদের হেফাজতেই রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গত ১০ বছরে হবিগঞ্জে এতো বড় দুর্ঘটনা আর ঘটেনি বলে জানান ওসি। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। তবে স্বজনরা আসতে শুরু করেছেন বলে জানান তিনি। এছাড়া এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের হবে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

সারাবাংলা/এসএমএন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন