বিজ্ঞাপন

‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল মুক্তিমন্ত্রে উদ্দীপনার ভাষণ’

March 7, 2020 | 5:28 pm

সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে: সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন করেছেন দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে দূতাবাস প্রাঙ্গণে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠের পর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পরে দিনটির তাৎপর্য ও গুরুত্বের ওপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল মুক্তিমন্ত্রে উদ্দীপনার ভাষণ’

বিজ্ঞাপন

বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের পটভূমির পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতির তাৎপর্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

এরপর আমাদের জাতীয় জীবনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সমগ্র বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল। এই ভাষণ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিযোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ৩০ লাখ লোক প্রাণ উৎসর্গ করেন এবং ২ লাখ মা-বোন তাদের সম্ভ্রম হারান, যার দৃষ্টান্ত বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।’

‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল মুক্তিমন্ত্রে উদ্দীপনার ভাষণ’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘ইউনেস্কো কেবল বাঙালি ঐতিহ্য হিসেবেই নয়, ৭ মার্চের এই ভাষণকে বিশ্ব মানবেরসম্পদ হিসেবেও স্বীকৃতি প্রদান করেছে, যা সারা পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

আলোচনা পর্বের সমাপ্তিতে রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ কোরিয়ান ভাষায় অনূদিত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সম্বলিত একটি পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

পরে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধু ও ৭ মার্চের ওপর লেখা কবিতা পাঠ করেন। চা-চক্রের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

সারাবাংলা/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন