array(4) {
  [0]=>
  string(68) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/03/Measeals-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}
array(4) {
  [0]=>
  string(68) "https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2020/03/Measeals-30x23.jpg"
  [1]=>
  int(30)
  [2]=>
  int(23)
  [3]=>
  bool(true)
}

বিজ্ঞাপন

দুর্গম পাহাড়ে হাম, ৫ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করলো সেনাবাহিনী

মার্চ ২৫, ২০২০ | ৮:১০ অপরাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: হাম আক্রান্ত হয়ে আট শিশুর মৃত্যুর পর পার্বত্য জেলা রাঙামাটির দুর্গম অঞ্চল থেকে পাঁচ শিশুকে হেলিকপ্টারে এনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেছে সেনাবাহিনী। এর ফলে মৃত্যুমুখে থাকা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এই শিশুগুলোকে বাঁচাতে পারবেন বলে মনে করছেন তাদের স্বজনরা।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে রাঙামাটি জেলার সাজেক ইউনিয়নের দুর্গম শেয়ালদহ এলাকা থেকে পাঁচ শিশুকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে আসেন সেনাসদস্যরা। এরপর তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া সারাবাংলাকে বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সদস্যরা হাম আক্রান্ত পাঁচজন শিশুকে এনেছেন। তাদের ৯ নম্বর শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।’

আক্রান্ত পাঁচ শিশু হলেন- প্রতিল ত্রিপুরা (৫), রোকেন্দ্র ত্রিপুরা (৬), রোকেদ্র ত্রিপুরা (৮), নহেন্দ্র ত্রিপুরা (১০) এবং দিপায়ন ত্রিপুরা (১৩)।

সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা অরুন পাড়া, লুথিয়ান পাড়া ও কমলাপুরপাড়া গ্রামে মহামারি আকারে হাম ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত আট জন ত্রিপুরা শিশু প্রাণ হারিয়েছে। এসব এলাকায় আরও ১২৫ জনের মতো হাম আক্রান্ত শিশুর সন্ধান মেলে। বিষয়টি জেনে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেসামরিক ও সামরিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি চিকিৎসক দল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিকপ্টারে ওই এলাকায় যায়।

দুর্গম ওই এলাকায় সরাসরি যাতায়াতের কোনো সুযোগ নেই। চিকিৎসা ব্যবস্থাও নেই। এ অবস্থায় আক্রান্তদের বাঁচার সুযোগ ক্ষীণ হয়ে আসছিল। চিকিৎসক এলাকায় গিয়ে পাঁচ ‍গুরুতর অসুস্থ শিশুকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

বুধবার ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমানের নির্দেশে পাঁচ শিশুকে চট্টগ্রামে আনা হয়।

আক্রান্তদের সঙ্গে আসা স্বজনরা সেনানিবাসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা তাদের সন্তানদের জীবন বাঁচানোর জন্য সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ দেন।

সারাবাংলা/আরডি/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন