বিজ্ঞাপন

শেরপুরে রাস্তা-ঘাট ফাঁকা, জেলা হাসপাতালে কমেছে রোগী

March 26, 2020 | 9:46 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

শেরপুর: সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) থেকে শেরপুরের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। গতকাল বুধবার (২৫ মার্চ) রাত থেকে দূরপাল্লার যানবাহনও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে শেরপুর জেলা শহর এখন পুরোপুরি ফাঁকা। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। সকাল থেকেই জেলার প্রতিটি উপজেলার একই চিত্র।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা অব্যহত থাকলেও সেখানেও রোগির সংখ্যা খুবই কম। প্রতিদিন যেখানে প্রায় ৩ শতাধিক রোগি ভর্তি ও চিকিৎসা নেয় সেখানে আজ দুপুর পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে মাত্র ১৬ জন।

এদিকে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জনগণকে সচেতন করতে এবং ঘরে অবস্থান করার জন্য প্রচারাভিযান অব্যহত রেখেছে।

বিজ্ঞাপন

শেরপুরে রাস্তা-ঘাট ফাঁকা, জেলা হাসপাতালে কমেছে রোগী

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম আনোয়ারুর রউফ জানান, জেলায় মোট ১৩৮ জন হোম কোয়ারেনটাইনে থাকলেও শেষ হয়েছে ৫৩ জনের এবং বাকি রয়েছে ৮৫ জনের। তবে জেলায় এখনও পর্যন্ত কোনো কারোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগি চিহ্ণিত হয়নি। এছাড়া হোম কোরারেন্টেন না মানার কারণে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন স্থানে ৪ জনকে জরিমানা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘জেলায় বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫০টি শয্যার প্রস্তুতিসহ নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড, ঝিনাইগাতী উপজেলা হাসপাতালে ২০ শয্যা, শ্রীবরদী হাসপাতালে ২০ শয্যা, নালিতাবাড়ীর রাজনগর মা ও শিশু হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও নকলার উরফা হাসপাতালে ৫০ শয্যা রয়েছে।’

এছাড়া কারও করোনা সন্দেহ হলে নালিতাবাড়ী ও নকলার দু’টি প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেনটাইন কক্ষে তাদের রাখা হবে। যদি করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়, তাহলে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা আইইডিসিআরে পাঠানো হবে বলেও জানান সিভিল সার্জন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন