বিজ্ঞাপন

তামিম-মুশিদের যেভাবে এগিয়ে আসার পরামর্শ দিলেন সাকিব

April 18, 2020 | 7:35 pm

স্পোর্টস ডেস্ক

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই বেশ সোচ্চার বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। দফায় দফায় দেশের মানুষকে সচেতন করতে আহ্বান জানাচ্ছেন ঘরে থাকতে, নির্দেশনা দিচ্ছেন কি করতে হবে আর কি নয়। এছাড়াও সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দেশের সকল ক্রিকেটাররা। তাদের মধ্যেও যেন এক ব্যতিক্রম সাকিব আল হাসান। দূর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে থেকেও দেশের মানুষের জন্য এগিয়ে আসছেন সাকিব আল হাসান। নিজে সাহায্যের হাত তো বাড়িয়ে দিয়েছেনই সেই সঙ্গে সতীর্থ তামিম ইকবাল আর মুশফিকুর রহিমকেও পথ দেখালেন কীভাবে এগিয়ে এসে সাহায্য করতে পারে সাধারণকে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রদুর্ভাবের শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পরিবারের কাছে পাড়ি জমিয়েছেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক। এর মধ্যে কোভিড-১৯ মহামারি আকার ধারণ করলে নিজ উদ্যোগে দাড় করিয়েছেন 'দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন'। যেখান থেকে অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করছেন সাকিব। এবং প্রায় ২০ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জামও সরবরাহ করেছে তার সংস্থা।

অবশ্য কেবল সাকিব নিজেই নয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা নিজেদের বেতনের অর্ধেকটা দান করে দিয়েছেন বেশ আগেই। আরও এগিয়ে এসেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটাররাও। এছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজ নিজ অবস্থান থেকেও এগিয়ে আসছেন অনেকে।

বিজ্ঞাপন

সাকিব আল হাসান এবার আরো এক ধাপ এগিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানালেন সতীর্থ ক্রিকেটারদের। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ব্যবহৃত জার্সি, ব্যাট ও ক্রিকেট সরঞ্জাম বিক্রি করে করোনা-যুদ্ধে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানালেন সাকিব। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের প্রচারণায় কাল রাতে ফেসবুক লাইভে এসব বলেন সাকিব।

তিনি বলেন, 'অনেক দেশের ক্রিকেটাররা তাঁদের টি শার্টসহ অন্যান্য ক্রিকেটের সরঞ্জাম নিলামে তুলছে। আমরা এমন কিছুও হয়তো করতে পারি। সেটা আমাদের যে কোনো ক্রিকেটারের অটোগ্রাফসহ ব্যাটও হতে পারে। এই ব্যাপারগুলো আমরা করতে পারি। এই জিনিসগুলো আমরা নিলামে তুলতে পারি ফেসবুক কিংবা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।'

সাকিব আরো যোগ করেন, 'আমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। কিন্তু ইতিহাস থেকে পড়েছি অনেকে অনেকভাবে সামনের সারির মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছে। কেউ খাবার দিয়েছে, কেউ কাপড় দিয়েছে, কেউ তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে। আমি চিকিৎসক নই। সুতরাং, করোনা মোকাবিলায় আমি সামনে থেকে কাজ করতে পারব না। কিন্তু একজন পেছনের যোদ্ধা হিসেবে তো কাজ করতে পারব।’

উল্লেখ্য বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১শ ৪৪ জন মানুষ আর মারা গেছেন ৮৪ জন। দেশজুড়ে চলছে লকডাউন।

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন