বিজ্ঞাপন

যেকোনো সময় বিকল হতে পারে ঢামেকের পিসিআর মেশিন

May 13, 2020 | 9:59 am

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগে করোনা রোগের শনাক্তের জন্য মেশিনটি (RT-PCR) যেকোনো সময় কার্যক্ষমতা হারাতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢামেক ভাইরোলোজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সালতানা শাহানা বানু।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গবার (১১ মে) রাতে শাহানা বানু বলেন, ‘পিসিআর মেশিনটি পুরানো। যেকোনো সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নতুন মেশিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২ এপ্রিল থেকে ভাইরোলজি বিভাগে করানোভাইরাস শনাক্তের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিকে পরীক্ষার সংখ্যা কম থাকলেও এখন বেড়েছে। ২২ এপ্রিল থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত পাঁচ হাজারের উপরে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন প্রতিদিনই প্রায় দুইশ নমুনা পরীক্ষা হয়।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল-বিকাল নমুনা সংগ্রহ করে মেশিনে তোলা হয়। বারবার চালু বন্ধ করার কারণে মেশিনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় মেশিনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত একটি নতুন মেশিন দরকার। যদিও আগেই আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি আবেদন করেছি। এ বিষয়ে ঢামেকের অধ্যক্ষ ও পরিচালক মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। উনারা আশ্বস্ত করেছেন, দ্রুত আমরা নতুন মেশিন পেয়ে যাব।’

ডা. সুলতানা বলেন, ‘আমাদের ভাইরোলজি বিভাগে লোকবল কম। যারা আছে তাদেরকে নিয়ে সকাল-বিকাল কাজ করে যাচ্ছি। ভাইরোলজি বিভাগে মোট নয়জন চিকিৎসক আছেন। টেকনোলোজিস্ট আছেন চারজন। হাসপাতাল থেকে আরও কয়েকজন টেকনোলজিস্ট এনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সব সময় কাজ করতে প্রস্তুত এবং কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু মেশিনটি এভাবে চলতে থাকলে আমার মনে হয় সেটি নষ্ট হয়ে যাবে।’

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধক্ষ্য ডা. খান মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘একটি নতুন মেশিনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী শিগগিরই আমরা নতুন মেশিন পাব। নতুনটা এলে দুটি মেশিন দিয়ে আমরা করোনা শনাক্তের পরীক্ষার চালিয়ে যেতে পারব।’

অধক্ষ্য আরও বলেন, ‘পরীক্ষা বেশি করার ফলে একটি মেশিনের ওপর বেশি চাপ পড়ছে। আরেকটি মেশিন এলে চাপ কমবে। ভাইরোলজি বিভাগে এক টেকনোলজিস্ট কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছে। সে বাসায় আইসোলেশন আছে। তবে তার অবস্থা এখন ভালো।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএসআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন

Tags: , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন