বিজ্ঞাপন

পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ৬ নম্বর সতর্ক সংকেত

May 18, 2020 | 6:14 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দেশের উপকূল অঞ্চলের দিকে দ্রুত এগিয়ে আসছে। এতে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর সর্তক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৮ মে) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের সবশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‍ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কেন্দ্রে বর্তমানে বাতাসের গতি ২০০ থেকে ২২০ কিলোমিটার বেগে রয়েছে। এই পরিস্থিতিকে বলে সুপার সাইক্লোনের আভাস। ২০ মে প্রথম প্রহরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দেশের উপকূল দিয়ে বয়ে যেতে পারে। এই মুহূর্তে পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরত্বে ঘূর্ণিঝড়টি অবস্থান করছে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশের উপকূলীয় এলাকায় ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে আশ্রয়কেন্দ্রে যেন সবাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে থাকতে পারে, এজন্য দ্বিগুণ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া শুরু হবে।

ডা. এনামুর বলেন, আগের মতো এবারও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য ৩১শ মেট্রিক টন চাল, ৫০ লাখ টাকা নগদ, শিশুখাদ্যের জন্য ৩১ লাখ টাকা, গোখাদ্যের জন্য ২৮ লাখ টাকা এবং ৪২ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলার অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন