বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ খেলার মন্ত্র দিলেন জামাল ভূঁইয়া

May 22, 2020 | 7:57 pm

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে বাংলাদেশ খেলছে! বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই কথা ‘দিবালোকের স্বপ্ন’ মনে হতে পারে। স্বপ্ন না থাকলেও তো সেটা পূরণ করার তাগিদ বা আগ্রহ তৈরি হয় না। তার জন্য লাগে সুদীর্ঘ পরিকল্পনা। ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টে খেলার স্বপ্ন সব দেশেরই থাকে। সেই স্বপ্নের জন্য কী করতে হবে সেটাই এখন প্রশ্ন।

তবে দেশের জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার কাছে ‘বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্বপ্ন’ আর বাস্তবতা দুটোরই যুক্তি আছে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ পর্যন্ত যে কঠিন পথটা অনুসরণ করতে হবে সেটার দীর্ঘ তালিকা হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেয়ার পাশাপাশি সেগুলোর বাস্তবায়নটাও বেশ জরুরি। তৃণমূল ফুটবল থেকে শুরু করে পেশাদার লিগের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সেই পরিকল্পনার ছাপ থাকাকেও অনেকে বিশ্বকাপের এন্ট্রি নেয়ার মন্ত্র বলেছেন। তবে দেশের বাস্তবতা ভিন্ন। যেখানে বাফুফে বস কাজী সালাউদ্দিন ‘কাতার বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে’ এমন মন্তব্য করে সমালোচনার তীর্যক বাণীতে বিদ্ধ হয়েছেন অসংখ্যবার। দেশের ফুটবলের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সেই মন্তব্য একেবারে যায় না বলেই হয়তো এমন সমালোচনার জোয়ারে ভেসেছেন তিনি!

তবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাতো থাকবেই। এর সঙ্গে সহজ ভাষায় সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হলে বাংলাদেশকে যা করতে হবে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জামাল ভূঁইয়া। সহজ-সরল ভাষায় বলার চেষ্টা করেছেন। বিশ্বকাপের বাংলাদেশের এন্ট্রি ‘হাতের মোয়া’ নয় মানেন তিনিও। তবে তার ব্যাখ্যাটা একটু ভিন্ন।

জেনে নিই জামাল কী বলতে চেয়েছেন, ‘ইনশাল্লাহ বাংলাদেশ একদিন খেলবে। কিন্তু অনেকগুলো কাজ করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অবশ্যই থাকতে হবে। একবার দেখুন। আইসল্যান্ড বিশ্বকাপ খেলেছে। তাদের দেশে ৫-৬ লাখ মানুষ বাস করছে। আইসল্যান্ড যদি বিশ্বকাপ খেলতে পারে আমরা পারবো না কেন।’

সেজন্য যে কাজটা করতে হবে সেটাও বললেন দেশের ফুটবলের পোস্টারবয়, ‘তরুণ থেকে সিনিয়র দেশের অনেক ফুটবলারদের বাইরের লিগে খেলতে পারে এমন অবস্থায় নিতে হবে। দেশের ফুটবলাররা যাতে নিজেদের সাথে ইউরোপের ফুটবলটাকে কম্পিট করতে পারে। এভাবেই একসময় বিশ্বকাপে খেলতে পারবো।’

ভারতের দৃষ্টান্ত টেনে জামাল বলেন, ‘ভারতের অনেক রিসোর্স আছে। তারাও কাজ করছে। সফলতাও পাচ্ছে। কিন্তু তাদেরও ল্যাকিংস আছে। কিন্তু ছেড়ে দেয়নি তারা। কাজ করে যাচ্ছে। আমাদেরও বিশ্বাস রাখতে হবে যে একদিন বিশ্বকাপ খেলবো।’।

‘বিশ্বাসে মেলায় বস্তু তর্কে বহুদূর’। তবে শুধু বিশ্বাস করেই যে বিশ্বকাপের পথ খুলে যাবে এমন মনে করেন না তিনি। এরজন্য কঠিন সাধনা, দীর্ঘ পরিকল্পনা আর তার কার্যকরণ হতে হবে দেশের ফুটবলে এমনটাই মনে করেন।

সারাবাংলা/জেএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন