বিজ্ঞাপন

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ঘুম

June 8, 2020 | 10:32 am

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর অন্যতম উপায় হলো পর্যাপ্ত ঘুমানো। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। তবে বয়স অনুযায়ী ঘুমের চাহিদা আলাদা আলাদা।

বিজ্ঞাপন

দেশে দীর্ঘদিন লকডাউন থাকার ফলে ঘুমের সময় পালটে গেছে অনেকের। আবার অনেকে প্রচন্ড দুশ্চিন্তার কারণেও ঘুমাতে পারছেন না।

ঘুম না হওয়ার কারণ যাই থাকুক, আসল কথা হলো পর্যাপ্ত ঘুম না হলে নিজের অজান্তেই দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভবনা থাকে।

বিজ্ঞাপন

বয়স অনুযায়ী ঘুমের নিয়ম

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের পরামর্শ অনুযায়ী, ৬ থেকে ৯ বছরের শিশুদের রাতে ৯-১১ ঘন্টা, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ৮-১০ ঘন্টা এবং ১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের জন্য ৭-৯ এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের ৭-৮ ঘন্টা ঘুম জরুরী।

বিজ্ঞাপন

অনেকে ভাতঘুম দেন, একারণে তাদের রাতের ঘুম ভালো হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাতঘুম ২০ মিনিটের বেশি নয়। দিনেরবেলা বেশিক্ষণ ঘুমালে কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং রাতের ঘুম নষ্ট হয়।

বেলা দুইটার পর কফি বাদ

বিজ্ঞাপন

কফিতে থাকা ক্যাফেইন রাতের ঘুম কেড়ে নিতে পারে। তাই বেলা দুইটার পর কফি বাদ দিন। তবে করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে এখন চা ও গরম পানি পান করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এইসময় খেতে পারেন মশলা চা। বিকেলের ক্লান্তিভাব কাটাতে কফির পরিবর্তে মশলা চা খেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে না।

রাতের খাবার হোক স্বাস্থ্যকর

বিজ্ঞাপন

রাতে খালি পেটে ঘুমাতে গেলে ঘুম ভালো হয় না। আবার ভারী খাবারও রাতে খাওয়া উচিত না। রাতের খাবার হবে হালকা। ভরা পেটে ঘুমাতে যাওয়া ঠিক না। ঘুমানোর অন্তত ২ ঘন্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন। ঘুমানোর আগে একগ্লাস উষ্ণ গরম দুধ খেতে পারেন। দুধে থাকে ট্রিপটোফ্যান, যা ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে।

বিছানা শুধু ঘুমের জন্য

বিছানায় শোবার পর ফোনের স্ত্রিনে তাকাবেন না। রাতের ঘুম নষ্ট হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। ভালো হয়, ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘন্টা আগে থেকেই ল্যাপটপ, টিভি ও ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দিলে। বিছানায় বসে বা শুয়ে বই পড়া, টিভি দেখা বাদ দিন।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে সারাদিনের ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করুন। ধ্যান বা মেডিটেশন করলেও উপকার পাবেন। রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো ও সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলে শরীর ও মন দুই-ই ভালো থাকবে।

সারাবাংলা/টিসি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন