বিজ্ঞাপন

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সবজি, ডিম ও মুরগির দাম

June 20, 2020 | 4:35 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সব ধরনের সবজি দাম। পাশাপাশি বেড়েছে ডিম ও মুরগির দামও। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের বাজার। ফলে অনিয়ন্ত্রিত বাজার ক্রেতাদের ওপর চাপ ফেলছে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২০) জুন সকালে বসুন্ধরা কাঁচা বাজার ও নতুনবাজার কাঁচাবাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে বেগুন কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ টাকার মধ্যে। ১০ টাকা কেজিতে বেড়ে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। ২০ টাকা বেড়ে বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে গাজর, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, ১৫ টাকা কেজিতে বেড়ে পেঁপে, ঝিঙে-পটল ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, ২০ টাকা বেড়ে করলা কেজি ৭০, ১০ টাকা বেড়ে কাকরোল ৭০, ২০ টাকা কেজিতে বেড়ে ঢেঁড়স ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাঁচ টাকা বেড়ে আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা। আর ২০ টাকা ডজনে বেড়ে মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ টাকা।

বিজ্ঞাপন

সবজির দাম বাড়ার বিষয়ে নতুনবাজার কাঁচাবাজরের সবজি বিক্রেতা রাশেদুল আনাম বলেন, ‘এই দাম কমে আবার হঠাৎ দাম বাড়ে। করোনারকালে অনেকের চাকরি নেই। আবার চাকরি থাকলেও বেতন নেই। এর মধ্যে বাজার সদায়ের দাম বাড়লে বেঁচে থাকাটা কঠিন হয়ে পড়ে। সরকারের বাজারের দিকে নজর রাখা উচিত। দরকার হলে মাঝে মধ্যে অভিযান চালানোও দরকার। কেন দিনদিন দাম বাড়বে।’

অধিকাংশ সবজির দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে এই বাজারের সবজি বিক্রেতা জসিম উদ্দিন সারাবাংলাকে বলেন, ‘করোনার জন্য গ্রাম থেকে সবজি ঢাকায় আসে কম। ফলে তাদেরকে পাইকারিতে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়। তারা তো আর নিজেরা সবজি চাষ করেন না। ফলে যেমন কেনেন তেমনই বিক্রি করতে হয়।’ এখানে তারাও নিরুপায় বলেন এই বিক্রেতা।

বিজ্ঞাপন

অপরদিকে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে পোল্ট্রি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে দেশি মুরগি, খাসি ও গরুর মাংসের দাম। দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা, গরুর মাংস ৫৭০টাকা ও খাসির মাংস ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাছের বাজার রয়েছে আগের মতোই। রুই মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। নলা মাছ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। তেলাপিয়া ১৫০, পাঙ্গাশ ১৬০, শিং ৩৫০, শোল মাছ মাঝারি ৫৫০, বোয়াল মাঝারি ৬০০ আর টেংরা মাছ ৫০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চালের বাজারও। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট (নতুন) কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা, মিনিকেট পুরাতন ৬০ টাকা, বাসমতি কেজি ৬২ টাকা, পাইজাম কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সারাবাংলা/এসজে/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন