বিজ্ঞাপন

ছাত্রলীগকে ভাসমান মানুষের পাশে থাকার আহ্বান, সহযোগিতার আশ্বাস

June 29, 2020 | 6:49 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আজ ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয় কিন্তু এমন অনেক মানুষ আছে যাদের কোনো ঘর নেই। তারা ভাসমান মানুষ। তাই এই করোনা সংকটে ভাসমান মানুষদের সহযোগিতার জন্য ছাত্রলীগকে তালিকা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এসময় নিজের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগকে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন মন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে টিএসসিতে অসহায় ভাসমান মানুষের প্রতিদিন ২ বেলা খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও করোনাদুর্যোগে খাবার বিতরণ কর্মসূচির ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে এই আয়োজন করেন।

জাতীয় দুর্যোগে সবার আগে আওয়ামী লীগ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি বিগত সত্তর বছরের ইতিহাস মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জন করেছে মাটি ও মানুষের দল মানুষের পাশে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে ধরে ধরা পার্টি আওয়ামী লীগ। এটাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য।’

বিজ্ঞাপন

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্রলীগকর্মীদের এই উদ্যোগে সমাজের অসহায় মানুষের প্রতি তাদের দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির স্থাপন করেছে গত ১০০ দিন বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করে এসেছে এই তরুণেরা। ভাসমান ও অসহায় কর্মীদের মাঝে বিতরণ করেছে। ঈদ উপহার, দিয়েছে চিকিৎসা সহায়তা।’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তার প্রতি সম্মান জানিয়ে টিএসসিতে রান্না করা খাবার বিতরণের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের যেভাবে সহায়তা করেছে তা সারাদেশের ছাত্রলীগকর্মী ও তরুণদের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা এতদিন অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে মানুষের সেবায়, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের আমি একটি কথা বলবো; আজকে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয় কিন্তু এমন অনেক মানুষ আছে যাদের কোন ঘর নেই। তারা ভাসমান মানুষ। যারা আজ এই শহরে খোলা আকাশের নিচে বাস করে। যারা ফুটপাতে বাস করে, যাদের বসবাস রেল স্টেশনে টার্মিনালে, ফ্লাইওভারের নিচে; এই ভাসমান মানুষদের সহযোগিতার জন্য ছাত্রলীগের তরুণরা এগিয়ে আসবেন সামনের দিনগুলোতে। এদের কোন তালিকা নাই। এদের তালিকা আপনাদেরকেই করতে হবে। এই ভাসমান মানুষদের জন্য এ ১০০ দিন শেষ হওয়ার পরেও আপনারা নতুন কর্মসূচি নেবেন, আমি নিজেও আপনাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছি।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জাতীয় জীবনে যেকোন দুর্যোগ ও সংকটে তরুণরা এগিয়ে এসেছে, তাদের সম্মিলিত তারুণ্য অসহায় মানুষ সাহস জোগায়। তাই তরুণ-যুবক ছাত্রলীগ কর্মীদের ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে জনমানুষের পাশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাঁড়াতে হবে। সংকটের সাহসী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করছেন সংকটকালে মানুষের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে, মতামত নিয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, করছেন সমন্বয়।’ তার নেতৃত্বে সবার সহযোগিতায় এই সংকট কেটে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সারাবাংলা/এনআর/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন