বিজ্ঞাপন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল আগামীকাল, একাদশে ভর্তির খোঁজ নেই

June 29, 2020 | 6:13 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমান (দাখিল) পরীক্ষায় খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে ৩০ জুন, মঙ্গলবার। সোমবার (২৯ জুন) সারাবাংলাকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক।

বিজ্ঞাপন

তবে একাদশের ভর্তির ব্যাপারে তিনি কিছুই বলতে পারেননি।

মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল আগামীকাল প্রকাশ করা হবে। তবে একাদশে ভর্তির বিষয়ে এখনো আমরা কিছুই জানি না। এর সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রনালয়।’

২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল পাওয়ার পর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেন। তারা মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এদের মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা খাতাগুলো আবারও যোগ করে ফল তৈরির কাজ করেছি। আগামীকাল দিনের যেকোনো সময় এটি প্রকাশ করা হবে।’

এর আগে মে মাসের ৩ তারিখে এএসসির মূল ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ফল প্রকাশের পর একমাস পার হয়ে গেলেও এখনো এসব শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির সুযোগ করে দিতে পারেনি বোর্ড। মূলত করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতেই ভর্তি কার্যক্রম পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানাচ্ছে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সাব কমিটি।

বিজ্ঞাপন

কমিটির সভাপতি মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘অনলাইনে একাদশের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করার পরিকল্পনা আমাদের ছিল। কিন্তু সেক্ষেত্রেও ঝুঁকি থেকে যায়। কারণ অনলাইনে আবেদন করার জন্য লোকজন গিয়ে দোকানে ভিড় করবে। এজন্য আমরা পিছিয়ে গেছি। এখন সংক্রমণ কমলে হয়তো ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যাবে। তবে সেটি শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত।’

এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘একাদশে ভর্তির কার্যক্রম চালু করতে আমরা চেষ্টা করছি। এদের যে সময়টি ঘাটতি হবে সেটি পুষিয়ে নেওয়ার জন্যও পরিকল্পনা করা হচ্ছে। শিগগিরই এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।‘

তবে একাদশের ক্লাস যে খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে না, তার প্রমাণ পাওয়া যায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের বই ছাপানোর সংখ্যায়। এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই এখনো ছাপানোই হয়নি। চলতি মাসেই পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এনসিটিবি।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘বই ছাপানোর জন্যে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। দরপত্রও হচ্ছে। এবার যেহেতু ক্লাস শুরু হতে দেরি হচ্ছে, তাই ছাপানোর দেরি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। দরপত্র হওয়ার বিশ দিনের মধ্যে সব বই ছাপা হয়ে যাবে।’

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই বিনামূল্যে দেওয়া হলেও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যবই কিনে পড়তে হয়। এনসিটিবি থেকে জানা গেছে, ১৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী পাস করায় এ বছর অন্তত ২২ লাখ পাঠ্যবই ছাপানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের পরীক্ষায় মোট অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিএস/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন