বিজ্ঞাপন

করোনা মোকাবিলায় রোহিঙ্গারা সচেতন নয়

June 30, 2020 | 3:38 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনা মোকাবিলায় রোহিঙ্গা অধিবাসীরা সচেতন নয়। ক্যাম্পগুলোতে মাস্ক পড়ার প্রবণতা নেই বললেই চলে। আবার করোনাভাইরাস নিয়ে তাদের মধ্যে নানা ধরনের ভ্রান্তিও রয়েছে। ক্যাম্পে ক্যাম্পে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় তারা অনেক ক্ষেত্রে তথ্য প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রোহিঙ্গা টুডে শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে।  সেন্টার অব পিস স্টাডিজ ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এই আলোচনার আয়োজন করে। এতে অংশ নেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ইশরাত জাকিয়া সুলতানাসহ আরও অনেকে।

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাজনৈতিক সমাধান খুঁজতে হবে। মানবতার কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের এক সময় না এক সময় ফিরে যেতে হবে। তবে আমরা কোন সমাধান দিতে পারিনা। তবে আমাদের সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, করোনার এই পরিস্থিতিতে কোন একজন যদি নিরাপদ না থাকে তবে অন্যরাও নিরাপদে থাকবে না। নানা কারণেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রোগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনাভাইরাস নিয়ে নানা ধরনের মিস ইনফরমেশন রয়েছে। মিস ইনফরমেশন তাদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এছাড়া এখনও ক্যাম্পে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এর ফলে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তথ্যের ঘাটতিও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনা নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে। সেখানে অনেক হেট স্পিচও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মিস কমিউনিকেশনও রয়েছে। আবার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অপবাদও রয়েছে।

ইশারত জাকিয়া সুলতানা বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। যে ঘটনাগুলো গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণের কারণে ঘটেছে। রোহিঙ্গারা এখন কনস্ট্রাকশন, পোল্ট্রি ফার্ম, মাছ ধরা, পরিবহনসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিডনাপিংও বেড়েছে। কিডনাপের সঙ্গে রোহিঙ্গারাই জড়িত। যিনি কিডন্যাপ হচ্ছে তিনিও রোহিঙ্গা, যিনি করছেন তিনিও। মাঝেমধ্যে বাইরের কারো সঙ্গে যৌথভাবেও কিডনাপ হয়। গত বছর থেকে ক্যাম্পে ইন্টারনেট সংযোগ নেই। রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তা বন্ধ করা হয়। তবে এটি কোন ভালো সিদ্ধান্ত নয়।

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিসি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন