বিজ্ঞাপন

বিএসএমএমইউতে ৩৭০ শয্যার করোনা সেন্টারে রোগী ভর্তি শুরু

July 4, 2020 | 11:07 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ৩৭০ শয্যার করোনা সেন্টারে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও রোগী ভর্তি কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে বিএসএমএমইউ-এর করোনা সেন্টারে রোগী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়।

এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১৮ জন রোগী এসেছেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসককের পরামর্শ অনুযায়ী ছয় জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন তিনটি শিফটে ৬০ জন চিকিৎসক, ১০০ জন নার্স এবং সংশ্লিষ্ট প্যারামেডিক্স, ওয়ার্ডবয়, এমএলএসএসসহ ১০০ জন স্বাস্থ্যকর্মীসহ মোট ২৬০ জন জনবলের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী টিম রোগীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ মোট ২৬০ জন প্রথম এক সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদান করবেন এবং পরবর্তী সপ্তাহে অন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে গঠিত নতুন টিম রোগীদের সেবা প্রদান করবেন।

এদিন সকালে কেবিন ব্লকে করোনা সেন্টার চালুর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বিএসএমএমইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ, চিকিৎসকবৃন্দ, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন

এসময় বিএসএমএমইউ’র উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. জুলফিকার আহমেদ আমিনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৩৭০ শয্যার মধ্যে ‘কেবিন ব্লকে’ শয্যার সংখ্যা ২৫০টি এবং ‘বেতার ভবনে’ শয্যার সংখ্যা ১২০টি। ‘কেবিন ব্লকে’ ২৫০ শয্যার মধ্যে ইমার্জেন্সি রোগীদের জন্য রয়েছে ২৪টি শয্যা এবং আইসিইউ শয্যা সংখ্যা হল ১৫টি। কেবিন ব্লকে ‘সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট’ স্থাপন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও রোগীদের সেবা নিশ্চিত করার জন্য হাইফ্লো ন্যাসাল ক্যানোলা, নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেটর, যেমন- সি-প্যাপ, অক্সিজেন কনসানট্রেটর ইত্যাদি স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি শয্যায় রয়েছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপোর্টসহ অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাসমূহ। মূলত গুরুতর অসুস্থ রোগীরাই এখানে ভর্তি হবেন। অন্যদিকে, বেতার ভবনের ১২০ শয্যায় ভর্তি হবেন করোনাভাইরাসে মডারেট রোগাক্রান্ত রোগীরা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন