বিজ্ঞাপন

ভিডিও কনফারেন্সে পেসারদের ফিট থাকার পরামর্শ গিবসনের

July 8, 2020 | 3:45 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

করোনাকালে জাতীয় দলের পেসাররা কেমন আছেন, কী করছেন বা কী করলে ২২ গজের লড়াইয়ে নিজেদের আরো ক্ষুরধার করে তোলা যাবে? এমন বেশ কয়েকটি প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে গতকাল (৭ জুলাই) তাদের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্স করেছেন টাইগার পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন। কনফারেন্সের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ফিটনেস। করোনায় ঘরবন্দী এই সময়টিতে রুবেল, মোস্তাফিজ, রাহিরাদের বেশি বেশি ফিটনেস নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন এই ক্যরিবিয়ান।

বিজ্ঞাপন

এক্ষেত্রে তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, ফিটনেস যদি ঠিক থাকে তবে বোলিং অ্যাকুরিসি আসতে খুব বেশি সময় নিবে না। অনুশীলনে দুই-তিন দিনের মধ্যেই তা ফেরানো সম্ভব হবে। অবশ্য শুধু ফিটনেসই নয়, আলোচনা হয়েছে বোলিং টেকনিক, ট্যাকটিকস ও ফিল্ডিংয়ের উন্নতি নিয়েও। এছাড়া কী করলে পেসাররা আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন এবং ভুলগুলো শুধরে নিতে পারবেন তাও বাদ যায়নি আলোচনায়। সবশেষে তিনি শিষ্যদের পরামর্শ দিয়েছেন নিজেদের বোলিং ভিডিও করে তাকে পাঠাতে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন পেসার বুধবার (৮ জুলাই) সারাবাংলাকে এতথ্য দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

তাদের দেওয়া তথ্যমতে ‘ভিডিও কলে গতকাল গিবসনের সঙ্গে আমাদের সভা হয়েছে। এখন তো খেলা নেই, অনুশীলন নেই। আমরা আগে যতটুকু শক্তিশালী ছিলাম এখন এই বসে থাকার সময়টায় বাসায় বসে ফিটনেস ট্রেনিং করছি। এই সময়টায় আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে আসতে বললেন। যে দুর্বলতা ছিল সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। তবে ওনার মূল ফোকাস ছিল আমাদের ফিটনেসের ওপরে। গিবসন যেটা বললেন, আমরা যদি এখন ফিট থাকি তাহলে বোলিং অ্যাকুরিসি আসতে সময় লাগবে না। দুই কী তিন দিনের অনুশীলনে এসে যাবে।’

‘আমাদের টেকনিক, ট্যাকটিকস ও ফিল্ডিং নিয়েও আলোচনা করেছেন বলেছেন। কী করলে আমরা এসব জায়গায় উন্নতি করেত পারব তা বলে দিয়েছেন। সবশেষে বলেছেন আমাদের বোলিং ভিডিও করে তাকে পাঠাতে।’

অবশ্য গিবসনের সঙ্গে এই ভিডিও কনফারেন্সের আগে থেকেই পেসাররা নিজ উদ্যোগে বোলিং অনুশীলন করেছেন। তাসকিন আহমেদে নিজ বাসার গ্যারেজে, মোহামম্মদ সাইফউদ্দিন বাসার অদূরে মাঠে, আল আমিন হোসেন, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহি এবং মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিং অনুশীলনের খবর বেশ আগেই শোনা গিয়েছে।

গতকালের এই সভার পর এখন থেকে অনুশীলনের সেই ভিডিও কোচকে পাঠাতে হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় দলের পেসাররা সবশেষ বল হাতে নিয়েছিলেন মার্চে, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের খেলায়। এরপর দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমন ছড়ানো শুরু করলে প্রায় চার মাস হল আর বল হাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতামুলক ক্রিকেটে নামা হয়নি।

সারাবাংলা/এমআরএফ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন