বিজ্ঞাপন

বাতাসের মাধ্যমেও করোনা ছড়ানোর ‘প্রমাণ’ মিলেছে: ডব্লিউএইচও

July 8, 2020 | 3:56 pm

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নভেল করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমেও ছড়ানোর ‘প্রমাণ’ মিলেছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, ৩২ দেশের ২৩৯ বিজ্ঞানী এক খোলা চিঠিতে এ বিষয়ে ডব্লিউএইচও'র গাইডলাইন হালনাগাদ করার আহ্বান জানানোর পর বিশ্ব স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফ থেকে স্বীকারোক্তি আসলো।

এ ব্যাপারে ডব্লিউএইচও'র টেকনিক্যাল প্রধান মারিয়া ভ্যান কেরকোভে জেনেভা থেকে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে বলেন, করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে বা বাতাসে ভাসমান ভাইরাল কণার মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটাতে পারে কি না সেই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ২৩৯ বিজ্ঞানী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে লেখা খোলা চিঠিতে প্রমাণসহ দেখিয়েছেন, বাতাসে ভেসে থাকা একেবারে ক্ষুদ্র ভাইরাসবাহী কণা থেকেও মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত হতে পারে। তাদের ওই চিঠি সোমবার (৬ জুলাই) ক্লিনিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজেস জার্নালেও প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, ওই চিঠিতে সই করা ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোর কেমিস্ট হোসে হিমেনেস বলেন, এই 'প্রমাণ'গুলোর কথা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকার করুক, সেটাই তারা চেয়েছেন।

তিনি বলেন, এটা মোটেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আক্রমণ নয়। এটা একটা বৈজ্ঞানিক বিতর্ক। আমাদের মনে হয়েছে, এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কথা বলা উচিত। কারণ বহুবার আলোচনা হলেও তারা আমাদের 'প্রমাণ'গুলো অস্বীকার করে আসছিল।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা'র ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের বেনেদেত্তা আলেগ্রানজি বলেন, করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ানোর প্রমাণ আসছে, কিন্তু বিষয় হল, সেগুলো নিশ্চিত কিছু নয়।

তিনি বলেন, সেখানে বলা হচ্ছে, নির্দিষ্ট কিছু পরিবেশে যেমনঃ বদ্ধ জনাকীর্ণ ঘরে, যেখানে বাতাস চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, সেখানে বায়ুবাহিত সংক্রমণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, তবে এসব প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে ডব্লিউএইচও সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২৯ জুন প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়েছে, কেবল তখনই এ ভাইরাস বাতাস বাহিত হয়ে সংক্রমণ ঘটাতে পারে যখন ভাইরাল জলকণা বা ড্রপলেটের আকার ৫ মাইক্রনের চেয়ে ছোট হয় (১ মাইক্রন = ১ মিটারের ১ মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ)।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন