বিজ্ঞাপন

‘দারিদ্র্যসীমার নিচে যারা, তাদের কাছে ভর্তুকি পৌঁছাতে হবে’

July 9, 2020 | 11:38 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনাভাইরাসের কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ের ‍মুখে পড়েছে। সঠিকভাবে চিহ্নিত করে সরকারকে তাদের কাছে ভুর্তকি পৌঁছে দিতে হবে। এদিকে, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে। বৈদেশিক আয় কমেছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এসআইপিজে) আয়োজিত ভার্চুয়াল কনফারেন্সে বক্তরা এ কথা বলেন। কনফারেন্সের বিষয় ছিল ‘সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে করোনার প্রভাব ও প্রতিকার’।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকাকে ভর্তুকি বাড়িয়ে, দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষগুলোর কাছে সহযোগিতা পৌঁছে দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, প্রথম যখন লকডাউন হলো, একেবারে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা বহু মানুষ ঝুঁকিতে পড়ে যায়। তারপর সাধারণ ছুটি তুলে নিলে কাজে যোগদান করার সুযোগ পেলে এসব মানুষ একটু ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো নাজনীন আহমেদ বলেন, আয়ের গড় প্রবৃদ্ধির হিসেবে বাংলাদেশে ধনীক শ্রেণির আয়ে বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতে তাদের আয়ে বড় প্রভাব পড়েছে। তাদের আয় গরীবের কাছে বিভিন্ন স্তরের মাধ্যমে যায়। এখন গরীবের তাদের আয় পৌঁছানো কমে গেলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এগিয়ে যাবে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে এখন শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনে জোর দিতে হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে বৈদেশিক আয় আসে গার্মেন্টস খাত ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স থেকে। কোভিডে এ দু’টি খাতে প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন দেশের মিশনকে প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

অধ্যাপক হেলাল মহিউদ্দিন বলেন, করোনার জন্য বয়সন্ধিকালের শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে দেখা যাচ্ছে। কারণ তারা হঠাৎ বন্দিদশার মধ্যে পড়েছে। তাদের এই পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে হবে।

সারাবাংলা/এসএ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন