বিজ্ঞাপন

সাহারা খাতুন আর নেই

July 10, 2020 | 12:03 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন আর নেই। থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সাহারা খাতুন। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক সায়েম খান সারাবাংলাকে বলেন, থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ১২টা ২৬ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২৬ মিনিট) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন সাহারা খাতুন। তার মরদেহ দেশে নিয়ে আসা হবে। জানাজা ও দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে জানানো হবে।

বিজ্ঞাপন

শারীকিভাবে অসুস্থ বোধ করায় ২ জুন দিবাগত রাতে সাহারা খাতুনকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষায় কোভিড নেগেটিভ এলেও লিভারসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ধরা পড়ে তার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ১৯ জুন ওই হাসপাতালেই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। এরপর আর সেখানে শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি দেখা যায়নি তার।

এর মধ্যে আইসিইউতে রেখেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে সাহারা খাতুনকে থাইল্যান্ডে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। গত সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশটিতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানেও চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন সাহারা খাতুন।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাহারা খাতুন। ওই নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এর পরের দুই জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি একই এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সাহারা খাতুনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ, ঢাকার কুর্মিটোলায়। তার বাবা আব্দুল আজিজ ও মা টুরজান নেসা। এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তবে এর আগেই ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্যও ছিলেন তিনি।

সারাবাংলা/এনআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন