বিজ্ঞাপন

রুমানা-আকবরদের জন্য মনোবিদ নিয়োগ দিচ্ছে বিসিবি

July 11, 2020 | 1:25 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

করোনাকালে ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে মনোবিদ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কার্যক্রমটি জাতীয় নারী ক্রিকেট দল ও অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল দিয়ে শুরু হবে। এখান থেকে ইতিবাচক ফলাফল এলে জাতীয় দলের ছেলে ক্রিকেটাররাও এর আওতায় আসবেন। চলতি মাস থেকেই এ কার্যক্রম শুরু করতে চাইছে লাল সবুজের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর এক্ষেত্রে তাদের পছন্দ কানাডিয়ান প্রবাসী মনোবিদ আলী খান।

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় চার মাস ঘরবন্দি ক্রিকেটাররা। বলা বাহুল্যই হবে মহামারির এই সময়ে তাদের নানাবিধ ভীতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে; ‘এই বুঝি আক্রান্ত হলাম, আক্রান্ত হলে তো আর রক্ষা নেই, পরিবারের কী হবে?’ শুধু করোনাভীতিই কেন? মাঠে খেলা নেই, আবার কবে ফিরবে? এ জাতীয় দুঃশ্চিন্তাও নিশ্চয়ই অনেকেই করেছেন। ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা কারোরই সন্তোষজনক থাকার কথা নয়। বিষয়টি সদয় অনুধাবনপূর্বক তাদের মানসিক স্বাস্থ্য স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে মনোবিদের শরণাপন্ন হচ্ছে টাইগার ক্রিকেট প্রশাসন।

শনিবার (১১ জুলাই) সারাবাংলাকে এখবর নিশ্চিত করেছেন বিসিবি'র নারী ক্রিকেট উইংয়ের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

নাদেল বললেন, ‘হ্যাঁ, আমরা নারী ক্রিকেট দলের জন্য আলী খানকে নিয়োগ দিচ্ছি। উনি আগেও বেশ কয়েকবার আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। এবারও কয়েকটা সেশন করবেন। আশা করছি এ মাস থেকেই শুরু হবে। আপাতত নারী ক্রিকেট দলের সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৯ দলও থাকবে। এরপরে জাতীয় দলের ছেলে ক্রিকেটাররাও এর আওতায় আসবে।’

এদিকে দেবাশীষ চৌধুরী জানালেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছি। আমরা মূলত আলী খানের সঙ্গে কথা বলছি, যিনি আমাদের আগেও সাহায্য করেছিলেন। ওনাকে আমি আমাদের পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেছি। উনিও আমাকে একটি পরিকল্পনা দিয়েছেন। আপাতত নারী ক্রিকেট দল ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে এই পরিকল্পনায় রেখেছি। যদি সফল হই পরে জাতীয় দলের ছেলে ক্রিকেটারদেরও আনব। কিন্তু আগে আমরা এই দুটি দলকে নিয়ে ভাবছি।’

জানা গেছে, ভার্চুয়ালি আলী খানের সঙ্গে বাংলাদেশ নারী ও অনূ-১৯ ক্রিকেট দলের পাঁচটি করে সেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি সেশনে থাকছেন ২৫ জন ক্রিকেটার।

মনোবিদ আলী খান এর আগেও বিসিবি’র সঙ্গে কাজ করেছেন। সবশেষ ২০১৮ সালের অক্টোবরে কাজ করে গেছেন কানাডিয়ান প্রবাসী এই বাংলাদেশী। এর আগে ২০১৪ সালেও তার শরণাপন্ন হয়েছিল বিসিবি।

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন