বিজ্ঞাপন

‘দ্রুত লিগ ফেরান, ফুটবল বাঁচান’

July 11, 2020 | 11:04 pm

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনাভাইরাসে থমকে আছে দেশের ফুটবল। ব্যস্ত ফুটবলের কোলাহল নাই প্রায় চার মাস হলো। এমন পর্যায়ে দেশের সকল ফুটবল কার্যক্রম স্থগিত আছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বাতিল হয়েছে। জীবন বাঁচার একমাত্র সম্বল ফুটবলটাই এখন মাঠের বাইরে। এই অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত সকল পর্যায়ের ফুটবল চালুর দাবি জানিয়েছেন মামুনুল ইসলাম মামুনসহ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলাররা।

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে উপস্থিত হয়ে এ দাবি জানান প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলাররা।

ঢাকা আবাহনীর মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলাম মামুন বলেন, ‘আমরা চাই নিচের লিগ থেকে পেশাদার ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগ যেন মাঠে ফিরে খুব তাড়াতাড়ি। খেলার থেকে বাইরে থাকায় অনেক ফুটবলারের আর্থিক অবস্থা ভাল নাই। যারা নিচের লিগে খেলে তাদের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। ধরেন ৫০-১০০ খেলোয়াড় বাদে সবার অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা সব প্লেয়ারদের প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের অভিভাবককে জানিয়েছি।’

বিজ্ঞাপন

ফুটবল অভিভাবক বাফুফেকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান মামুন, ‘ক্লাবের সঙ্গে সুন্দরভাবে সমাধানে এসে এবং সরকারের সকল নিয়ম মেনেই যেন ফুটবলটা মাঠে গড়ায়। তাহলে খেলাটা চালু থাকবে এবং ফুটবলারদের আর্থিক বিষয়টাও সচল হবে।’

ইউরোপে ফুটবল ফিরেছে। বাকী থাকা লিগের ম্যাচ চলছে। এই উদাহরণ উল্লেখ করে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের অধিনায়ক আশরাফুল রানা বলেন, ‘বাইরের যে অমীমাংসিত লিগগুলো ছিল তা কন্টিনিউ করেছে। তো সেক্ষেত্রে আমাদের যেটা সাজেশন ছিল যদি ফরেন প্লেয়ার ছাড়াও যদি বাকী খেলাগুলো চালানো যেত। ফুটবলারদের বেতন একটু কমিয়ে হলেও লিগটা শেষ করতে চেয়েছিলাম। আমাদের অনুরোধ ছিল এটা।’

বিজ্ঞাপন

ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসে এ নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার আশ্বাস দেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ‘অক্টোবর-নভেম্বর বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব আছে। আর লিগের উপরেই ফুটবলারদের আর্থিক নির্ভরতা থাকে। তো বিষয়ের উপর ওদের মতামতটা নিলাম। আমরাও মিটিং করছি যত দ্রুত শুরু করা যায়।’

স্বাস্থ্যবিধি মেনেই লিগ চালু করার বিষয়টি আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি, ‘আমরা একা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না। সবাই মিলে করোনা ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সরকারের অনুমতির বিষয় আছে। সবকিছু মিলিয়ে আগাতে হবে। আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি যাতে খেলোয়াড়রা লিগ পায় আর জাতীয় দলের প্রস্তুতি যাতে হয়। ১০ দিনের মধ্যেই আমরা জানাতে পারবো।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেএইচ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন