বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় দফায় চসিক নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণা ইসির

July 14, 2020 | 5:56 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। ফলে আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে অর্থাৎ চলতি মেয়াদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। ইসির যুগ্ম-সচিব মো. আসাদুজ্জামান আরজু সারাবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের সই করা চসিক নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানেও করোনার প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও অতিবৃষ্টি ও পাহাড় ধসের আশঙ্কা বিবেচনায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন মেয়াদকালের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটির ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে গত ২১ মার্চ প্রথম দফায় চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন স্থগিত করা হয়।এবার দ্বিতীয় দফায় ফের চট্রগ্রাম সিটি নির্বাচন স্থগিত করা হলো।

বিজ্ঞাপন

চট্রগ্রাম সিটি নির্বাচনে বৈধ ছয় প্রার্থী ছিলেন- আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন, পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ২ শতাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট হয়। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে ইসি তা স্থগিত করল।

সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে করপোরেশন ভেঙে যাবে। তখন করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিতে হবে। আইনে বলা আছে, কোনো নতুন সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হলে, অথবা কোনো সিটি করপোরেশন বিভক্ত করা হলে, অথবা কোনো সিটি করপোরেশন মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সরকার সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত তার কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

সারাবাংলা/জিএস/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন