বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বন্দরে আগুন তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

July 15, 2020 | 9:24 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্য রাখার শেডে আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলমকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি অনুসন্ধানে এই কমিটি গঠন করেছেন বলে জানিয়েছেন সচিব মো. ওমর ফারুক।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বন্দরের দুই নম্বর জেটি সংলগ্ন তিন নম্বর শেডে আগুন লাগে। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- চট্টগ্রাম বন্দরে শেডে আগুন

চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন সারাবাংলাকে বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি স্টেশন থেকে ১৪টি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন আমরা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি। এরপর দু’টি গাড়ি ফেরত পাঠানো হয়। ১২টি গাড়ি আরও দেড় ঘণ্টা চেষ্টা করে ৭টার মধ্যে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।’

বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন অথবা ওয়েল্ডিংয়ের সময় আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তার।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক সারাবাংলাকে বলেন, ‘শেডে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসযোগ্য পণ্য আছে। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতি এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।’

সচিব জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি অনুসন্ধানে গঠিত কমিটিতে বন্দরের ট্রাফিক, নিরাপত্তা, হিসাব ও নিরীক্ষা বিভাগ থেকে একজন করে প্রতিনিধি এবং ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তাকে রাখার কথা বলা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

কমিটির প্রধান মো. জাফর আলম বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং শেডে কী ধরনের পণ্য ছিল, তা তদন্তে তুলে আনার চেষ্টা করব। বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্য কত দিন থাকা উচিত, সে বিষয়টিও তদন্তে এনে সমাধানের সুপারিশ করব।’

সারাবাংলা/আরডি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন