বিজ্ঞাপন

‘করোনা চিকিৎসায় ঢামেক জরুরি বিভাগের আন্ডারগ্রাউন্ড প্রস্তুত’

July 26, 2020 | 6:27 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়লে ঢামেকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের আন্ডারগ্রাউন্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া ঈদের আগেই নন-কোভিড রোগীদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ড চালু করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এতে মেডিসিনের রোগীরা প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা পাবেন।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন তার অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান।

এ সময় একেএম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের এই হাসপাতালটি দেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অসহায় দরিদ্র রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এখানে ২৪ ঘণ্টা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ ও ডিএমসিএইচ-২-তে করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলছে। বাংলাদেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতির বৃহত্তর প্রস্তুতি হিসাবে ঢামেক হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের বেইজমেন্টে স্থাপিত কেমিক্যাল, বায়োলজিক্যাল, রেডিয়েশন অ্যান্ড নিউক্লিয়ার (সিবিআরএন) এবং ম্যাস ক্যাজুয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট সেন্টারটি চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। এখানে বাণিজ্যিক এলাকায় যেকোনো সময় কেমিক্যাল, বায়োলজিক্যাল রেডিয়েশন ও নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটে। সেজন্য সকল সুযোগ-সুবিধাপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্র হিসাবে সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে একসঙ্গে এক থেকে দেড়শ’ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে এই সেন্টারটি জরুরি জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।

পরিচালক বলেন, ‘ঢামেক হাসপাতালটি দেশের চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে সকলের জন্য একটি বৃহৎ জনহিতকর প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চিকিৎসক ও নার্স রয়েছে। সব মহলের সহযোগিতা পেলে হাসপাতালের রোগী সেবার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ভ্রান্ত সমালোচনা করলে তাদের কাজের আগ্রহ কমে যাবে। করোনা কমে গেছে অথবা হাসপাতালে চিকিৎসা কম হচ্ছে- সেজন্য রোগীরা হাসপাতালে আসছে না, এমনটা নয়। যারা বাসায় থেকে সুস্থ হচ্ছেন শুধু তারা আসছেন না। সমালোচনা না করে, যারা কাজ করছে তাদের উৎসাহিত করতে হবে।’

সারাবাংলা/এসএসআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন