বিজ্ঞাপন

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানি বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দুই মেয়রের

August 1, 2020 | 3:10 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দুই মেয়র। শনিবার (১ আগস্ট) মেয়র তাপসও আতিকুল জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বর্জ্য অপসারণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সকালে বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাতে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঈদুল আজহা উদযাপন করব, কোরবানি দেবো। কোরবানির পর পশুর যে বর্জ্য সৃষ্টি হবে, আমরা সে বর্জ্য দুপুর ২টা থেকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। ইনশাআল্লাহ গতবারের ন্যায় এবারও আমরা ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে পারব।’

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানি বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দুই মেয়রের

বিজ্ঞাপন

পরিচ্ছন্নতাকর্মি থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ ছুটিতে নেই জানিয়ে মেয়র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘অত্যন্ত সুন্দর, সুশৃংখলভাবে হাট পরিচালিত হয়েছে। হাট পরিচালনার পর আমরা রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কোরবানির পশুর হাটকেন্দ্রিক বর্জ্য অপসারণ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে পশুর হাটের প্রায় শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি।’

এদিকে, শনিবার দুপুরে বসিলায় অবস্থিত সাদিক এগ্রোতে অবস্থিত ডিএনসিসির ডিজিটাল কোরবানি পশু ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিএনসিসির ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৪০০ গুরু কোরবানির আয়োজন করেছি। এর সব কার্যক্রম হয়েছে অনলাইনে। এখানে পশু জবাই থেকে শুরু করে বাসায় পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত সব দায়িত্ব আমাদের। আমরা মাংস কাটার পর প্যাকেটিং করে ফ্রিজিংয়ের মাধ্যমে বাসায় পৌঁছে দিচ্ছি। আমরা পুরো ব্যবস্থাপনাটি কম্পিউটার সিস্টেমে করেছি। অনলাইনে যারা গরু বুকিং দিয়েছেন তাদের আমরা সময় নির্ধারণ করে দিয়েছি তার মাংসটি কোন সময়ের মধ্যে আমরা বাসায় পৌঁছে দেবো। এখান থেকে আমরা দুস্থঃদের মাংসটাও বিতরণ করে দেবো। এটা এবার আমাদের প্রথম উদ্যোগ।’

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোরবানি বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দুই মেয়রের

কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘আমাদের সব কর্মী রাস্তায় নেমে গেছে। নতুন ওয়ার্ডগুলোতেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হয়েছে। আমি বোর্ড ও জুম মিটিং করেছি। আমি সরাসরি সেসব ওয়ার্ডের মনিটরিং করবো। এই চ্যালেঞ্জ তখনই সার্থক হবে যখন জনগণ আমাদের সাহায্য করবে।’

সারাবাংলা/এসএইচ/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন