বিজ্ঞাপন

কীভাবে আসামি পালালো জানতে তদন্ত কমিটি, ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

August 7, 2020 | 6:10 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় একজন ডিআইজি প্রিজন্স, একজন সিনিয়র জেল সুপার ও একজন জেলারকে নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে কারা কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটিটি গঠন করে।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার জাহানারা বেগম সারাবাংলাকে বলেন, ডিআইজি প্রিজন্সের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

বিজ্ঞাপন

১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: আসামি পালানোর ঘটনায়  ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। প্রধান কারারক্ষীসহ ছয়জনকে সাময়িক বরখাস্ত ও আরও ৬ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে কারা অধিদফতর।

আইজি প্রিজন্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা সারাবাংলাকে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দায়িত্বের গাফিলতি পাওয়া গেছে। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবেন। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, ‘দায়িত্ব পালনে গাফলতি পাওয়া যাওয়ায় ৬ জনকে (৪ জন কারারক্ষী, ১ জন সহকারী প্রধান কারারক্ষী, ১ জন প্রধান কারারক্ষী) এবং আরও ছয়জনের নামে বিভাগীয় মামলা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বরখাস্ত হলেন যারা:  সহকারী প্রধান কারারক্ষী আহম্মদ আলী, কারারক্ষী হক মিয়া, মনিরুল ইসলাম, মো. আলী নূর,  সজিব হোসাইন, নবীন কারারক্ষী আনোয়ার হোসাইন।
যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা: এরা হলেন প্রধান কারারক্ষী মো. আবুল কালাম আজাদ, সহকারী প্রধান কারারক্ষী আবদুর রউফ খান, কারারক্ষী মো. ইউসুফ খান, রাকিবুল হাসান, মো. শওকত আলী।
বৃহস্পতিবার থেকে (৬ আগস্ট) হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু বক্কর সিদ্দিককে কারাগারে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ওই আসামি একটি হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন পরে আপিলে তারা সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়।
এ ঘটনার একদিন পর আইজি প্রিজনস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা বলেছেন, তিনি পালিয়েও যেতে পারেন।
এর আগে, ২০১২ সালেও একবার কারাগারের ভেতর লুকিয়ে ছিলেন ওই আসামি। পরে খোঁজাখুঁজি পর তাকে পাওয়া যায়।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওই আসামির বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চণ্ডিপুর এলাকায়।

সারাবাংলা/এসএইচ/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন