বিজ্ঞাপন

‘কৃষির উন্নতিতে শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে’

August 8, 2020 | 5:51 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কৃষির উন্নতি করতে হলে শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী ও প্রয়োগিক করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৮ আগস্ট) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত দক্ষ কৃষি গ্রাজুয়েট তৈরিতে আধুনিক কারিকুলামের ভূমিকা শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে। অথচ চাষযোগ্য জমি দ্রুত কমছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এমনিতেই কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে। এর সঙ্গে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে করোনা। ফলে বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থাকে চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কৃষি গ্রাজুয়েট তৈরি করতে হবে।’

আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘কৃষিকে অধিকতর লাভজনক করতে হলে কৃষিপণ্যের বিপণন ও প্রক্রিয়াজাত বাড়াতে হবে। কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে কৃষিপণ্যের টেকসই বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রক্রিয়াজাত করে মূল্য সংযোজন করতে হবে। সেজন্য উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিলেবাস ও কারিকুলাম যুগোপযোগী করা প্রয়োজন।’

বিজ্ঞাপন

বাণিজ্যিক কৃষি কৌশল জ্ঞান সম্বলিত সিলেবাস প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি কলেজ এবং কৃষিবিদগণ বাংলাদেশের সামগ্রিক কৃষি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।’

কৃষিতে আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের এখন মূল লক্ষ্য সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য যোগানো। কারণ, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে বর্তমান প্রজন্মকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা খুব প্রয়োজন। বতর্মান সরকারের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জও বটে।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‌উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফুল হাসান বলেন, ‘পাঠ্যক্রমে সবসময় নতুন বিষয় সংযোজন করা হচ্ছে, তবু কিছুটা দুর্বলতা আছে। সময়ের সাথে সাথে অবশ্যই এটিকে পরিবর্তন করে যুগোপযোগী করতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক অধ্যাপক সাত্তার মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, সাবেক শিক্ষা সচিব এন আই খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‌উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফুল হাসান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহম্মেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

সারাবাংলা/টিএস/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন