বিজ্ঞাপন

মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি দখল করে ১০ তলা ভবন গড়ছেন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর

August 9, 2020 | 10:29 pm

শেখ জাহিদুজ্জামান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ডা. সিদ্দিকুর রহমান। পেশাগত জীবনের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে মায়ের নামে হাসপাতাল গড়ার স্বপ্ন পূরণের আশায় রাজধানীর মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৯ নম্বর রোডে ২০ নম্বর বাড়ি কেনেন। সেখানে চেম্বারও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) ওবায়দুল হক  রাতের আঁধারে দখল করে নেন মুক্তিযোদ্ধা ডা. সিদ্দিকুর রহমানের কষ্টে কেনা বাড়িটি। এখন সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে ১০ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন। ভবনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘আন্দালুসিয়া টাওয়ার।’

বিজ্ঞাপন

বাড়িটি ফিরে পেতে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করেও কোনো সুবিধা হয়নি। উপায় না পেয়ে সিদ্দিকুর রহমান অভিযোগ দেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সে। সেখানেও সুরাহা না হওয়ায় কোনো উপায় না পেয়ে নিম্ন আদালতে দেওয়ানি মামলা করেন ওই মুক্তিযোদ্ধা। আদালত বাড়িটির সব কার্যক্রম মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাড়িটির নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাফিক ইনসপেক্টর ওবায়দুল হক। ডা. সিদ্দিকুর রহমানের অভিযোগ, ওবায়দুল হক এক্ষেত্রে রাজউককে ম্যানেজ করেছেন।

দখলদারিত্বের অভিযোগ ওঠার পর কর্মস্থল মোহাম্মদপুর থেকে ওবায়দুল হককে বদলি করা হয় চট্টগ্রামে। বর্তমানে সেখানে তিনি কর্মরত আছেন। আন্দালুসিয়া টাওয়ারের মালিক ওবায়দুল হক চট্টগ্রামে থাকলেও থেমে নেই টাওয়ারটির নির্মাণকাজ। তার নির্মাণকাজ দেখাশোনা করছেন ওবায়দুল হকের বন্ধু মো. মোস্তফা কামাল।

বিজ্ঞাপন

বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির প্রশাসনিক সেকশনে চাকরি করা মোস্তফা কামাল বন্ধু ওবায়দুল হকের সহযোগিতায় আন্দালুসিয়া টাওয়ারের এক ইউনিট ফ্ল্যাটের মালিকও হয়েছেন।

ডা. সিদ্দিকুর রহমান জানান, গত ৭ বছর বিভিন্ন দফতরে ঘুরেও বাড়িটি তিনি উদ্ধার করতে পারেননি। তার দাবি দখলদাররা তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

২০১৪ সালে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর যখন বাড়িটি দখল করে নেন সে সময় আদাবর থানার ওসি গাজী রুহুল আমিন এবং তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমারের স্মরণাপন্ন হন ওই মুক্তিযোদ্ধা। ২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদাবর থানায় জিডিও করেন মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু থানা পুলিশ কোনো সহযোগিতা করেননি। ফলে ২০১৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তখনকার ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদের (বর্তমানে আইজিপি) কাছে অভিযোগ দেন ওই মুক্তিযোদ্ধা। ডিএমপি কমিশনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তেজগাঁও জোনের ডিসিকে নির্দেশ দেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান। অপরদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবও আশ্বাস দিলেও বাড়িটি উদ্ধারে কোনো সহযোগিতা করেননি।

উপায় না দেখে মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান ২০১৬ সালে নিম্ন আদালতের স্মরণাপন্ন হন এবং একটি দেওয়ানি মামলা করেন। যার মামলা নম্বর ৮৪৩/১৬। এ মামলায় আদালত ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বাড়িটির নির্মাণ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে করোনার মধ্যেও তিনি বাড়িটির নিমা‍র্ণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

বানানো হয়েছে ভুয়া কাগজপত্র, পরিবর্তন হয়েছে হোল্ডিং নম্বর: বাড়ির মালিক সিদ্দিকুর রহমানে দাবি, দখলের পর তারা ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে রাজউক থেকে ১০ তলা ভবনের অনুমতি নেন ওবায়দুল হক। শুধু তাই নয় বাড়ির হোল্ডিং নম্বরও পরিবর্তন করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে রাজউকের পরিচালক ওয়ালিউর রহমান নিজে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে গিয়ে ট্রাফিক ইনসপেক্টর ওবায়দুল হকের দখল করা বাড়িটি উচ্ছেদ করেন।

মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান সারাবাংলাকে বলেন, ‘বাড়ির প্রকৃত মালিক ডা. সিদ্দিকুর রহমান। তিনি আমাদের কাছ থেকে প্লটটি ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন প্লটটির দখলেও ছিলেন। ২০১৪ সালের পর বাড়িটি ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওবায়দুল হক নিজের দাবি করছেন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা তো বাড়িটি বিক্রিও করেননি।’ তাহলে ওবায়দুল হক কীভাবে বাড়ির মালিক হন প্রশ্ন করেন এ আইনজীবী।

বিজ্ঞাপন

জমিতে হাসপাতাল করতে চেয়েছিলেন সিদ্দিকুর: জমির মালিক সিদ্দিকুর রহমান জানান, ১৯৯৫ সালের ২০ এপ্রিল স্ত্রীর গহনা, ছেলের মোটরসাইকেল বিক্রি এবং জীবনের শেষ সম্বল দিয়ে মোহাম্মদপুর হাউজিং সোসাইটির ৯ নম্বর রোডের ২০ নম্বর বাড়িটি স্ত্রী ইসরাত জাহানের নামে কেনেন। এটি ছিল সাড়ে তিন কাঠা।

সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘সেখানে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে মায়ের নামে একটি দাতব্য চেম্বার গড়ে তুলি। ভবিষ্যতে এখানে একটি হাসপাতাল করার ইচ্ছা ছিল আমার। বাড়িটি দেখাশোনার জন্য একজন কেয়ারটেকার রাখি।’ কিন্তু কেয়ারটেকার নুরুও দখল কাজে সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ ডা. সিদ্দিকুরের।

সিদ্দিকুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘আমার শেষ সহায়-সম্বল বলে এখন আর কিছুই নেই। বড় ইচ্ছা মায়ের নামে একটি হাসপাতাল করা। সেই ইচ্ছা কি পূরণ হবে না? আমার বাড়ি, আমার জমি। আমি সেখানে যেতে পারি না। একজন মুক্তিযোদ্ধার এর চেয়ে আর কী কষ্ট হতে পারে! আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করছি আমার বাড়িটি উদ্ধারে তিনি যেন ব্যবস্থা নেন।’

বিধিমালা মানছে না আন্দালুসিয়া টাওয়ার, রাজউকও চুপ: ইমারত নির্মাণ বিধিমালা না মেনেই গড়ে উঠছে আন্দালুসিয়া টাওয়ার। নির্মাণ সাইন বোর্ডে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজউকের অনুমোদন স্মারক নং-২৫৩৯০০০০.০৯৮.৩৩.১৩০৩.১৮৫৫১। নির্মাণ অনুমোদন তারিখ ১৬ জুন ২০১৯। সরেজমিনে দেখা যায়, বিধিমালা না মেনে রামচন্দ্রপুর মৌজার রামচন্দ্রপুর খালের সীমানা এলাকায় ২৩৪.২০ বর্গমিটার আয়তনের এই জমিতে গ্রাউন্ড ফ্লোরসহ ভবনটি গড়ে তোলা হচ্ছে। এরইমধ্যে নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে।

যৌথ মালিকানার এই প্লটটির নির্মাণকাজ করছে প্রেজেন্ট প্রপার্টিজ লিমিটেড নামে নামধারী একটি প্রতিষ্ঠান। বাস্তবে এই প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ইন্টারনেট সার্চ দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটির কোনো ওয়েবসাইট মেলেনি। কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো কার্যক্রম নেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাড়ে তিন কাঠা এই জমিতে বিধি অনুযায়ী সামনে দেড়মিটার বা প্রায় ৫ ফুট জায়গা, পেছনে সোয়া ৩ ফুট ও দুই পাশে সোয়া তিনফুট জায়গা রাখার কথা থাকলেও তার কোনোটিই রাখা হয়নি। বরং ভবনের সামনের বারান্দার এসেছে সেটব্যাকের মধ্যে। ভবনের সামনের দিকে ডেভিয়েশন বাড়ানো হয়েছে পাঁচফুট। ভবনের দুইপাশে জায়গা রাখা হয়েছে মাত্র দেড়ফুট। এ ছাড়া ভবনের পেছনে জায়গা ছাড়া হয়েছে আধা ফুট। এছাড়া ভবনটির নকশার ব্যতয় ঘটিয়ে গ্রেড বিম ও বেজমেন্ট নির্মাণ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইনি জটিলতা মোকাবিলার জন্য নির্মাণাধীন বিভিন্ন ফ্লোর কথিত মালিকদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কোনো কোনো ফ্লোর বিক্রিও করা হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করার সুবিধার্থে বিভিন্ন পেশার লোকজনের কাছে ফ্লোর মালিকানা দেওয়া হয়েছে। নির্মাণ বিধি না মেনে গড়ে ওঠা ভবনটির মালিক যথাক্রমে শামীমা, দুলাল, হাসান, ফৌজিয়া, শফিক উল্লাহ, ছানা উল্লাহ, ওবায়দুল হক, আতিকুর, এখলাছুর রহমান, আবু সেলিম মাহমুদুল, মোস্তফা কামাল, মিজজুর ও আজিজুল। এর মধ্যে ওবায়দুল হক দুটি ইউনিটের মালিক। কেউ কেউ জমির মালিক সূত্রে আবার কেউ কেউ ক্রয় সূত্রে ফ্লোরের মালিক হয়েছেন।

নিয়ম না মেনে বাড়ি নির্মাণে বিষয়টি রাজউকও জানে। রাজউকের পক্ষ থেকে একাধিকবার নির্মাণকাজ উচ্ছেদ চালানো হয় বলে সারাবাংলাকে জানান রাজউকের জোন-৩ এর সহকারী অথরাইজড অফিসার রঙ্গন মণ্ডল। তবে আইনি জটিলতার কারণে খুব বেশি এগুনো যায়নি বলে দাবি তার।

সহকারী অথরাইজড অফিসার রঙ্গন মণ্ডল বলেন, ‘রাজউকের বিরুদ্ধে ভবন মালিকরা স্টে অর্ডার নেয়। এই কারণে রাজউক পরবর্তী সময়ে আর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। তবে আইনিভাবে এখন এটি মোকাবিলা করা হচ্ছে। আদালত থেকে পরবর্তী সময়ে যে নির্দেশনা আসবে সেটি মেনে কাজ করা হবে।’

কাগজপত্র না দেখে এ বিষয়ে এই মুহূর্তে আর কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন রঙ্গন মণ্ডল।

বাড়িটির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রাজউকের পরিদর্শক মো. সেলিম বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি, কেবল চারদিন হলো দায়িত্ব পালন করছি। আমাদের ফিল্ড এরিয়া  ফের নির্ধারণ হওয়ার কথা। আমার এলাকা মোহাম্মদপুর বহাল থাকলে তখন হয়ত এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে পারব।’

পুলিশের ভূমিকা ‘কচ্ছপগতি’: সিদ্দিকুর রহমান ভেবেছিলেন বাড়ির দখলদার ওবায়দুল হক পুলিশে চাকরি করেন সুতরাং পুলিশ বিভাগে চাইলে তার বাড়িটি উদ্ধারে উদ্যোগী হতে পারে। মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান থানা, উপ-পুলিশ কমিশনার, পুলিশ কমিশনার এমনকি আইজিপির সঙ্গে দেখা করেও প্রতিকার চেয়েছেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলে। সেই সময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বলতে শুধু ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ওবায়দুল হককে বদলি করা হয়েছে। অভিযোগ দাখিলের বিষয়টি পুরনো হলেও ডিএমপি কেবল একটি তদন্ত টিম গঠন করেছে। সর্বশেষ গত ২৭ জুন ডিএমপিতে গিয়ে জবানবন্দি দিয়ে এসেছেন ডা. সিদ্দিকুর রহমান।

বাড়িটির প্রসঙ্গে জানতে সারাবাংলার পক্ষ থেকে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওবায়দুল হকের ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এমনকি মোবাইলে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব দেননি।

ওবায়দুল হককে না পেয়ে ফোন করা হয় তার বন্ধু মোস্তফা কামালের সঙ্গে। যিনি এই টাওয়ারে একটি ফ্ল্যাটের মালিক। মোস্তফা কামাল সারাবাংলাকে বলেন, ‘৯ নম্বর রোডের অধিকাংশ জমি হিন্দু পরিবারের। ওই জমিটি আমরা অসিত সরকারের কাছ থেকে কিনি।’

মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন সিরাজুল। ওই সিরাজুল হিন্দু পরিবারের জমি দখল করে ডা. সিদ্দিকুরকে দেন। ভয়ে অসিত সরকার বিএনপি-জামাতের সময় প্রতিবাদ করেনি। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর অসিত সরকার তার জমির দখল বুঝে নেন এবং জমিটি বিক্রি করে দেন।’

মোস্তফা কামাল দাবি করেন ২০১৬ সালে অসিত সরকারের কাছ থেকে জমিটি কেনা হয়। জমি কেনার আগেই ২০১৪ সালে জমি দখল করা হলো- জানতে চাইলে কামাল বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি ফ্ল্যাট কিনেছি ওবায়দুল হকের কাছ থেকে।’

এ বিষয়ে অসিত সরকারের ছোট ভাই জয়ন্ত সরকার বলেন, ‘মোহাম্মদপুরে আমাদের অনেক জমি আছে। ডা. সিদ্দিকুর রহমান যে জমির কথা বলেছেন তার দাগ-খতিয়ান নম্বর আলাদা। আমাদের জমির খতিয়ান ৬২৮। আর ডা. সিদ্দিকুর রহমান যে খতিয়ানের কথা বলছেন তার নম্বর ৬৩১।’

জমি কবে বিক্রি করা হয়েছে জানতে চাইলে জয়ন্ত সরকার বলেন, ‘বিষয়টি তো মীমাংসিত। এটা নিয়ে আর কোনো কথা বলতে চাই না।’

যা বললেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকতা: ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওবায়দুল হকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (ট্রাফিক) মোস্তাক আহমেদ খান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এটি আমাদের প্রশাসন শাখার কাজ। তারপরও আমি বিষয়টি খোঁজ নেব।’

পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, মিডিয়া) সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সারাবাংলাকে বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দফতরে তথ্যগুলো পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাাংলা/এসজে/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন