বিজ্ঞাপন

চমেক ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারি

August 13, 2020 | 7:47 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল চারটার দিকে নগরীর চকবাজার থানার চট্টেশ্বরী সড়কে চমেকের প্রধান ছাত্রাবাসে এই ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

ছাত্রাবাসে আধিপত্য নিয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারীদের মধ্যে এই মারামারি হয়েছে বলে জানা গেছে।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমীন সারাবাংলাকে বলেন, ‘কলেজ বন্ধ। কিন্তু ছাত্রাবাস অফিসিয়ালি বন্ধ করা হয়নি। সেখানে ইন্টার্নি ডাক্তাররা থাকেন। আজ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে কয়েকজন ছাত্র একজোট হয়ে হলে উঠতে গিয়েছিলেন। তখন দু’পক্ষে হাতাহাতি ও একপর্যায়ে মারামারি হয়। তবে এতে মারাত্মকভাবে কেউ আহত হননি। মারামারির খবর পেয়ে উভয়পক্ষের সমর্থকরা ছাত্রাবাসে গিয়ে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। উত্তেজনা সৃষ্টি হলে আমরা সেখানে যাই। তখন বিভিন্ন বর্ষের ছাত্ররা তাদের নির্ধারিত কক্ষে চলে যান।’

বিজ্ঞাপন

ওসি জানান, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশের সঙ্গে প্রভোস্ট ও হোস্টেল সুপার ছাত্রাবাসে যান। ইন্টার্নি ডাক্তার ছাড়া বাকি ছাত্রদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার ইন্টার্নি ডাক্তারদেরও বের করে ছাত্রাবাস পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে চমেক কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছাত্রাবাসে অবস্থানরত ইন্টার্নি ডাক্তাররা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত এবং আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। আর বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী যারা হলে উঠতে গিয়েছিলেন তারা উপমন্ত্রী নওফেলের অনুসারী। মূলত বন্ধের মধ্যেও ইন্টার্নি ডাক্তাররা হলে অবস্থান করছেন জানতে পেরেই তারা ছাত্রাবাসে যান। মারামারির পর উভয়পক্ষ হলে অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ১২ জুলাই চমেক ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে মারামারিতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হন। এরপর নওফেলের অনুসারী চমেক ছাত্রলীগের নেতা খোরশেদুল আলম বাদি হয়ে ১১ চিকিৎসকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন