বিজ্ঞাপন

শ্যামপুরের দূষণকারী কারখানাগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নই থাকছে

August 13, 2020 | 11:23 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: শিল্প-কারখানার বর্জ্যে বুড়িগঙ্গার পানি দূষণের ঘটনায় বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরে পেতে শ্যামপুর এলাকার কয়েকটি শিল্প কারখানার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টর আপিল বিভাগ। এ আদেশের ফলে আবেদনকারী ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নই থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

বিজ্ঞাপন

সীবা টেক্সটাইলসহ ১১ জনের করা আপিল আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল আদালত এ রায় দেন। হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে তারা এ আবেদন করেছিলেন।

আদালতে সীবা টেক্সটাইলসহ অন্য ১১ জন আপিলকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও এ এম আমিনউদ্দিন। পরিবেশ অধিদফতরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

ঢাকার শ্যামপুরে পরিচালিত বিভিন্ন শিল্প কারখানা থেকে বর্জ্য নিঃসরণে বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দূষণ ও পরিবেশের ধ্বংস প্রতিরোধে জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি রিট পিটিশন দায়ের করে। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালে হাইকোর্ট রুল জারির পাশাপাশি এক আদেশে শিল্প কারখানা কর্তৃক বর্জ্য নিঃসরণের মাধ্যমে পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেন।

বিজ্ঞাপন

পরে পরিবেশ অধিদফতর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অনেকগুলো শিল্প কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এরপর আরেকটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পুনরায় আদেশ দিলে রিটকারী পক্ষ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ সে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হইকো্র্টের আদেশ স্থগিত করে রুল নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

পরে বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরে পেতে সীবা টেক্সটাইলসহ ১১ জন ২০১৮ সালে পৃথক একটি রিট পিটিশন দায়ের করলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দিতে আদেশ দেন। তবে আপিল বিভাগের এ সংক্রান্ত আগের আদেশের বিষয়ে অবহিত করে রিট পিটিশনটি শুনানির জন্য আবেদন জানালে বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহম্মদ উল্লাহের আদালতে সেটি শুনানি হয়। শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর রুল খারিজ করে আদেশ দেন আদালত।  পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে সীবা টেক্সটাইলসহ ১১ আবেদনকারী লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করেন, যা আজকে আপিল বিভাগ খারিজ করে দিলেন।

সারাবাংলা/এজেডকে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন