বিজ্ঞাপন

চমেকে মারামারির মামলায় ১১ ছাত্র গ্রেফতার

August 14, 2020 | 4:16 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে মারামারির ঘটনায় ১১ শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে তাদের চমেক ক্যাম্পাসের আশপাশের এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমীন।

গ্রেফতার হওয়া চমেকের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন— শাহরিয়ার ইসলাম ইমন (২৪), খোরশেদুল আলম (২৫), ওবায়দুল হক (২৪), বুলবুল আহমেদ (২৪), আতাউল্লাহ বুখারি (২৩), কে এম তানভির (২৪), ইমন সিকদার (২৩), মাহমুদুল হাসান (২৮), অভিজিৎ দাশ (২৩), তৌফিকুর রহমান (২৮) ও সরওয়ার ফারুকি (২৫)।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন- মারামারির পর চমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতিতে

ওসি রুহুল আমীন সারাবাংলাকে বলেন, ‘মারাামরির ঘটনায় ইন্টার্ন চিকিৎসক আউয়াল রাফি বাদী হয়ে গত রাতে (বৃহস্পতিবার রাত) একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় ১১ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

এদিকে, ১১ শিক্ষার্থীকে এদিকে আদালতে হাজির করলে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম খায়রুল আমীন তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
চমেকে মারামারির মামলায় ১১ ছাত্র গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর চকবাজার থানার চট্টেশ্বরী সড়কে চমেকের প্রধান ছাত্রাবাসে আধিপত্য নিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং কলেজে বিভিন্ন বর্ষের ছাত্রদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। এ ঘটনার জেরে রাতে ছাত্রাবাস সংলগ্ন গুলজার মোড়ে আরেক দফা মারামারিতে আহত হন ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) আহ্বায়ক ওসমান গণিসহ তিন জন। এর মধ্যে ওসমান চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিজ্ঞাপন

ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। আর ছাত্রলীগের বিবদমান আরেক গ্রুপ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী। গ্রেফতার হওয়া ১১ শিক্ষার্থী উপমন্ত্রী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এদিকে মারামারি-হামলা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চমেক হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন ইন্টার্ন ডাক্তাররা।

এর আগে, গত ১২ জুলাই চমেক ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হন। এরপর নওফেলের অনুসারী চমেক ছাত্রলীগের নেতা খোরশেদুল আলম বাদী হয়ে ১১ চিকিৎসকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।

সারাবাংলা/আরডি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন