বিজ্ঞাপন

‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ফলে এক ধরনের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছে’

August 14, 2020 | 4:58 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের ফলে এক ধরনের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছে। যেখান থেকে সড়ক আইন পাস হয়েছে। এখানে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছেন ড. কামাল ও সারা হোসেন।’

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে ‘সড়ক দুর্ঘটনায় দায়বদ্ধতা ও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ বিষয়ক অনলাইন সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ওয়েব সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন, স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রয়াত তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ, তাজুল ইসলাম ও তাকবির হুদা। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং টর্ট ল’ প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে ভার্চ্যুয়াল সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাথরিন মাসুদ জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বস্তরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ওই দুর্ঘটনার পর তিনি যে ট্রমার মধ্য দিয়ে গেছেন তা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি বলে উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলাটি দ্রুত হাইকোর্টে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তার বাবার ড. কামাল হোসেনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত রায় এলো। রায় নিয়ে কথা হয়েছে, যদিও তা আমাদের পক্ষে গেছে। এখানে চালক এবং মালিককে দায়ী করা হয়েছে। কিছুদিন আগেই জেলে সেই চালক মারা গেছেন। তবে মালিক এখনও মামলার মধ্যে রয়েছেন। গাড়ির ইন্সুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা চলছে।’

সেমিনারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং টর্ট ল’ প্রোজেক্ট বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও সাংবাদিক মিশুক মুনীর। অকালে প্রাণ হারনো উজ্জ্বল দুই নক্ষত্রের নবম মৃত্যুবার্ষিকীতে মর্মান্তিক সে দিন স্মরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনায় দায়মুক্তির বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ের অংশ হিসেবে এই আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএ/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন