বিজ্ঞাপন

মৃত্যুর আগে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিলেন সুশান্ত! বললেন গৃহকর্মী

August 23, 2020 | 10:27 am

এন্টারটেইনমেন্ট ডেস্ক

১৪ জুন নিজের ফ্ল্যাট থেকে সুশান্ত সিংহ রাজপুতের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর থেকে তার মৃত্যু নিয়ে একের পর এক তথ্য আসছে। অধিকাংশই হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেননি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এবার সে বিতর্কের আগুনে নতুন করে ঘি ঢাললেন সুশান্তের গৃহকর্মী নীরজ সিং। বললেন, মাদক সেবন করতেন সুশান্ত।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন সুত্রে জানা যায়, মৃত্যুর আগে মাদক সেবনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন সুশান্ত, এমনটাই জানিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের গৃহকর্মী নীরজ সিং। তিনি জানিয়েছেন, ‘সুশান্ত স্যার সপ্তাহে ২দিন পার্টি করতেন আনন্দি, রিয়া, আয়ূষ নামে বন্ধুদের সঙ্গে। আর তখনই মদ্যপানের সঙ্গে চলত মাদক সেবন। কখনও স্যামুয়েল জেকব আবার কখনও কখনও আমাকেই মাদকের ব্যবস্থা করতে হত। স্যারের মৃত্যুর আগে পরপর ৩ দিন আমি তার জন্য মাদকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। যেটা স্যারে কাপবোর্ডের একটা নির্দিষ্ট জায়গায় সিগারেট বক্সে রাখা থাকত। কিন্তু ১৪ তারিখ সুশান্ত স্যারের মৃত্যুর পর সেই সিগারেট বক্স খুললে, সেখানে কোনও মাদক পাইনি আমি!’

গৃহকর্মী নীরজ সিং তার বক্তব্যে সুশান্তের আগের ফ্ল্যাটে আধ-ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথাও বলেন। পাশাপাশি এও জানান যে, ইউরোপ ট্যুর থেকে ফিরে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত সত্যিই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

উক্ত গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সুত্রে আরও জানা যায় যে, সুশান্তের এক প্রতিবেশী দাবী করেছেন, ১৩ তারিখ অর্থাৎ সুশান্তের মৃত্যুর আগের রাতে সাড়ে ১০টা থেকে ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে সুশান্তের ফ্ল্যাটের সমস্ত আলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র রান্নাঘরের আলো জ্বলছিল। এর আগে কোনওদিনও ওই বাড়ির আলো এত তাড়াতাড়ি বন্ধ করতে দেখা যায়নি। সুশান্তকে ভোর ৪টা পর্যন্ত জেগে থাকতেই দেখা যেত, তাই ওর ঘরের আলোও জ্বলত। আলো রাতে বন্ধ হয় না বললেই চলে। তবে ওইদিন সমস্ত আলো বন্ধ ছিল কেন, জানা নেই। ওই প্রতিবেশী আরও দাবী করেছেন যে, ১৩ তারিখ সুশান্তের বাড়িতে কোন পার্টি হয়নি।

এদিকে সুশান্তের মৃত্যুরহস্য উদঘাটনের দায়িত্ব নিয়োজিত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘সিবিআই’র পক্ষ থেকে এক বিশিষ্ট টিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট খতিয়ে দেখার জন্য। তারা সে রিপোর্ট খতিয়ে দেখে জানিয়েছে যে, সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কখন মৃত্যু হয়েছে, সেই সময়ের উল্লেখ নেই!

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএসজি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন