বিজ্ঞাপন

চুক্তি শেষ, বন্ধ হচ্ছে দেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স

September 1, 2020 | 3:42 pm

আহমেদ জামান শিমুল

‘স্টার সিনেপ্লেক্স’ বাংলাদেশের প্রথম মাল্টিপ্লেক্স। ২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩ শতাধিক বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে হলটিতে। আজকে হলটির শাখা ৩টি—বসুন্ধরা সিটি, সীমান্ত স্কয়ার ও এসকেএস টাওয়ার। কিন্তু প্রথম শাখা বসুন্ধরা সিটি শাখা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আগামী অক্টোবর মাস থেকে। এমনটাই জানালেন হলটির সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।

বিজ্ঞাপন

মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বসুন্ধরা সিটি মার্কেট কর্তৃপক্ষ থেকে সম্প্রতি চিঠি পেয়েছি ছেড়ে দেওয়ার জন্য। তাও মাসখানেক হবে। চুক্তি অনুযায়ী তারা আমাদেরকে দুই মাস আগেই জানিয়েছে। তারা আমাদেরকে আর তাদের জায়গা ভাড়া দিবে না। তাই অক্টোবর মাস থেকে আমরা আমাদের বসুন্ধরা শাখাটি বন্ধ করে দিচ্ছি।’

ছেড়ে দেওয়ার চিঠিতে মার্কেট কর্তৃপক্ষ কী বলেছে? ‘ওইভাবে কিছু তারা বলেননি। শুধু চুক্তি নবায়ন করতে চান না এমনটাই জানিয়েছেন। মূলত আমাদের সঙ্গে প্রতি ৫ বছর পর পর চুক্তি নবায়ন হতো। তা আর করছে না তারা’— বলেন মেজবাহ।

বিজ্ঞাপন

বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ সেখানে নতুন কোন সিনেমা হলও করছে না বলে জানিয়েছেন মেজবাহ। তিনি বলেন, ‘যত দূর জানি তারা সেখানে নতুন করে দোকান ভাড়া দিবে। কোন হল তারা করবে না।’

স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা শাখায় মোট হল আছে ৭টি। এত বিপুল পরিমাণ সিনেমা প্রদর্শনের সরঞ্জাম নিয়ে তো বিপাকে পড়ার কথা। তবে সে সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিলেন মেজবাহ। তিনি বলেন, ‘আপনারা তো জানেন মিরপুরে আমাদের একটা শাখা প্রস্তুত হয়ে আছে। করোনাকালের পর সেটি উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া সামনে উত্তরা, কক্সবাজার, বগুড়ায় শাখা হচ্ছে। আমাদের এখানকার প্রজেক্টর, চেয়ারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কাজে লেগে যাবে। ওটা নিয়ে চিন্তিত নই আমরা।’

বিজ্ঞাপন

‘বসুন্ধরা শাখাটি বন্ধ হয়ে গেলেও দর্শক আগের মত স্টার সিনেপ্লেক্সে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস। কারণ স্টার সিনেপ্লেক্সে সবার কাছে একটা ব্র্যান্ড। অনেকের আবেগ, অনুভূতি জড়িত এর সঙ্গে। আমাদের নতুন শাখাগুলোতে দর্শক নিশ্চয় আসবেন’— বলেন মেজবাহ।

এদিকে কেনো, কী কারণে স্টার সিনেপ্লেক্সের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছেন না তা জানতে যোগাযোগ করা বসুন্ধরা সিটি মার্কেট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তবে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মঞ্জু সারাবাংলাকে বলেন, ‘স্টার সিনেপ্লেক্স কেনো জায়গা ছেড়ে দিচ্ছে বা তাদের ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এজেডএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন