বিজ্ঞাপন

বিভাগভিত্তিক টিম করে সাংগঠনিক সফরে নামার নির্দেশ শেখ হাসিনার

September 16, 2020 | 3:26 pm

নৃপেন রায়, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের সমন্বয়ের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সাথে সমন্বয় করে টিমওয়ারী সাংগঠনিক সফরে নামার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন থেকে সম্মেলন না হওয়া সব স্তরে সম্মেলন করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে উপস্থিত সূত্র সারাবাংলাকে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকার বাসভবন গণভবনে সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত সভাপতিমণ্ডলীর রুদ্ধদার সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে সূচনা বক্তব্যে দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর তার সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়।

বৈঠক সূত্র জানা গেছে, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর দক্ষিণ এবং সহযোগী সংগঠনের জমা দেওয়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিগুলো দ্রুত ঘোষণা করার জন্য দলের সাধারণ সম্পাদককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা ঘোষণা করবেন।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া চলমান বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সেকেন্ড ওয়েভ তথা দ্বিতীয় পর্যায়ে সংক্রমণ বেড়ে গেলে দলীয়ভাবে করণীয় ও আগাম প্রস্তুতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয় বৈঠকে। সভায় উপস্থিত প্রেসিডিয়াম সদস্যরা তাদের মতামত ব্যক্ত করেন এবং করণীয় নির্ণয়ে পরামর্শ দেন। পাশাপাশি ৫টি উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ের লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করার নির্দেশনা দিয়ে নির্বাচন যাতে সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য হয় সেদিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন দলীয় সভাপতি।

সভার সূচনা বক্তব্যে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার মনে হয়, ‘একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল বলে এইভাবে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেছে এবং মানুষকে সহযোগিতা করেছে। অন্য কোন দল হলে এটা মোটেই করতো না। বরং তারা দেখতে যে, কিভাবে এখান থেকে ফায়দা লুটতে পারে কি না? কিন্তু আমরা আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি। এটা আমাদের নীতি, এটা আমাদের লক্ষ্য। এটা জাতির পিতা আমাদের শিখিয়েছেন। আমরা সেইভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।’

‘আমার তো ৭৪ বছর বয়স, আর কতদিন! সেটাও মাথায় রাখতে হবে’

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পরে আমাদের এই সভা। করোনাভাইরাসের পর থেকেই বিশ্বব্যাপী একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চলছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে, অর্থনৈতিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। এবং শুধু আমাদের দেশ বলে না সারাবিশ্বব্যাপী যেহেতু এই অবস্থার সৃষ্টি। তারপরও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, এই করোনাকে মোকাবেলা করে আমরা কিভাবে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক গতিটা অব্যাহত রাখতে পারি।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে দলের সংসদীয় বোর্ডের সভার পর এই প্রথম দলের নীতিনির্ধারণী সর্বোচ্চ ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর সভা গণভবনে অনুষ্ঠিত হলো। সভায় সভাপতিমণ্ডলীর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রয়াত দুই প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম ও অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সভায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আবদুল মতিন খসরু, আব্দুল মান্নান খান, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন