বিজ্ঞাপন

‘ডিজিটাল পদ্ধতির আরও উন্নতি হলে দুর্নীতি কমে আসবে’

September 16, 2020 | 8:06 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রেমিটেন্সের প্রবাহ বাড়ছে। রফতানিও বাড়ছে। করোনাকালে দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ডিজিটাল ব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায় করোনাকালে মানুষ অনেক সুফল পেয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস অনলাইনে হচ্ছে। করোনার কারণে খালেদা জিয়ার সাজার বিষয়েও সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে ডিজিটাল পদ্ধতির আরও উন্নতি হলে দুর্নীতি কমে যাবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) সারাবাংলা ফোকাস: সময়টা কেমন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন, সাবেক আইজিপি নুরুল আনোয়ার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মিজানুর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক ও সিনিয়র সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সারাবাংলা ডটনেটের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট এম কে জিলানি।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘রেমিটেন্সের প্রবাহ বাড়ছে। রফতানি অর্ডার বাড়ছে। বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের দ্বন্দ্ব বাড়ছে। করোনাকালে পিপিই ও মাস্ক তৈরিতে আমাদের অবস্থান ভালো। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে হয়ত বিলম্ব হতো কিন্তু করোনার কারণে সেটির আরও বেশি অগ্রগতি হয়েছে। রাজনীতিতে অস্থিরতা আছে। করোনার কারণে সরকার খালেদা জিয়ার বিষয়ে শিথিল হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার উন্নতি হলে লুণ্ঠন দূর হবে। ডিজিটাল পদ্ধতির উন্নতি হলে দুর্নীতি কমে আসবে। সব মিলিয়ে সিস্টেমের ডিজিটাইজেশন করতে পারলে দুর্নীতি রোধ সম্ভব হবে।’

সাবেক আইজিপি নুরুল আনোয়ার বলেন, ‘দেশের এ দুযো‍র্গময় সময়ে আমাদের দেশের রাজনীতিকরা এমন অবস্থা সৃষ্টি করেননি যার দ্বারা করোনা সামাল দেওয়া কষ্টকর হযে যাবে। আর এটা হলে আমরা খারাপ অবস্থায় পড়ে যেতাম। দেশের রাজনীতিকরা দেশকে নিয়ে ভেবেছেন বলে নিজেদের সংযত করে রেখেছেন। এমনকি কোন সংঘাতও হয়নি।’

বিজ্ঞাপন

বিএনপি চেয়ারপারসের উপদেস্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, ‘ডিজিটালের মধ্য দিয়েও দুর্নীতি হচ্ছে। সাহেদ, সাবরিনার জন্ম হয়েছে। সরকারের টাকা রুট হচ্ছে। এগুলো হয়তো সরকার প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছে। আমাদের পক্ষ থেকে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো নিরে সরকার আরও সুনাম অর্জন করতে পারত। সরকার মার্চ থেকে সবাইকে নিয়ে কাজ করলে সরকার আরও উপকৃত হতো। এছাড়া করোনা কিন্তু শেষ হয়নি। গ্রামের মানুষকে মাস্ক পরানো বা বোঝানো খুব কষ্টকর। পিপিই ও মাস্ক ২ নম্বর না হলে অনেক ডাক্তার মারা যেত না। তাই সরকারের উচিত সবাইকে মাস্ক পরা বাধ্য করা। একইসঙ্গে আমাদের উচিত সরকারের নিয়ম মেনে চলা।’

সিনিয়র সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত বলেন, ‘আমাদের রফতানি বাণিজ্যের সঙ্গে যারা জড়িত তারা তো করোনার সময়ে হা-হুতাশ শুরু করে দিলেন। কারখানাগুলোর ৪০-৫০ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে। তবে করোনায় এখন আমরা একটা স্বাভাবিক পযা‍র্য় এসেছি। অস্বাভাবিকতার মধ্যেও আমরা স্বাভাবিকতায় আসছি। এছাড়া করোনার এই সময়ে দেশে বড় ধরনের রাজনীতিতে অস্থিরতা তেমনটা নেই। গ্রামে বসেও ডিজিটালের কারণে আমরা এখন অনুষ্ঠান করছি কিন্তু ৫-৭ বছর আগে আমরা এমনটা কখনো চিন্তাও করিনি। অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে যদি কেউ দুর্নীতি করে থাকে বা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সারাবাংলা/এসজে/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন