বিজ্ঞাপন

হাওর ভ্রমণে যেতে দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ৯— সবাই একই পরিবারের

September 19, 2020 | 10:57 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

ময়মনসিংহ: কিশোরগঞ্জের নিকলি হাওর দেখার জন্য মাইক্রোবাসে করে রওনা দিয়েছিলেন তারা। পথে একটি পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষ কেড়ে নিয়েছে ভ্রমণে বের হওয়া তিন জনের প্রাণ। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাবা ফাহাদ আলম ও তার ছেলে তুরান ফাহান। আরেকজন তুরানের খালা ঝর্ণা খাতুন। তুরানের মা রেবু আক্তারও গুরুতর আহত হয়েছেন দুর্ঘটনায়।

বিজ্ঞাপন

মাইক্রোবাসে থাকা নিকটাত্মীয় আরও ১০ জন এখন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হতাহতরা সবাই শেরপুর জেলার শ্রীবর্দি উপজেলার কাকিলাকুড়া গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইলের ডাংরি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মারা যান ফাহাদ আলম ও তুরান। পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ঝর্ণা।

বিজ্ঞাপন

নান্দাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক দুর্ঘটনায় হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শেরপুর থেকে নিকলির পথে মাইক্রোবাসে করে রওনা দিয়েছিলেন নিকটাত্মীয় কয়েকজন। পথে ডাংরী এলাকায় ময়মনসিংহগামী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবা ফাহাদ হোসেন ও পুত্র তুরান মারা যান। পরে হাসপাতালে মারা গেছেন ঝর্ণা খাতুন।

ওসি জানান, মাইক্রোবাসে থাকা আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। তারা সবাই একই পরিবারের। এর মধ্যে তুরানের মা রেবু আক্তারের আঘাত গুরুতর। তিনিসহ চার জন এখনো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

রেবু আক্তার ছাড়া আহত বাকিরা হলেন— হাসিনা শাহীন রোজী (৫২), হোসাইন আহমেদ (২৫), মাখন (৫০), শাহনাজ বেগম (২৫), শামীম (২৫), জেবু আক্তার (৩৫), বন্যা আক্তার (২০), ফেরদৌসী (৫০) ও জারিফ (১২)।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন