বিজ্ঞাপন

মহিষ পাচার মামলায় ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী, বিজিবি কমান্ডারকে তলব

September 20, 2020 | 5:42 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মহিষ পাচারের অভিযোগে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ১৯ বছর বয়স দেখিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত (এফআইআর) করায় সিলেটের জৈন্তাপুর বিজিবির ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার শাহাবুদ্দীনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। তাকে আগামী ৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীসহ এ মামলার ১০ আসামিকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

জামিনপ্রাপ্ত ১০ জন হলেন- সামছুল হক, শফিক মিয়া, সমিরুন নেছা, আবিদুল ইসলাম ওরফে আব্দুল, সাইদুল ইসলাম, শায়না বেগম, রুনা বেগম, সিদ্দিক মিয়া, ফয়জুর রহমান ওরফে কুটই এবং নাহিদ। আবিদুল ইসলাম ওরফে আব্দুল জানায়, সে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক পরিচালিত ‘শিখন স্কুল’র চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিজ্ঞাপন

এদিন আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

জানা গেছে, জৈন্তাপুরের খিলাতৈল এলাকার ব্যবসায়ী সাইদুল বেপারী বৈধভাবেই ২০টি মহিষ কিনে বাড়ি আনেন। কিন্তু বিজিবি সদস্যরা গত ১৩ সেপ্টেম্বর ওই মহিষগুলো আটক করে নিয়ে যায়। এরপর বিজিবির নায়েব সুবেদার সাহাব উদ্দিন জৈন্তাপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় আবিদুল, তার পিতা শফিক মিয়া, ভাই শামসুল হক, ভাবি রুনা বেগম, বোন শায়না বেগমসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮/১০জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

মামলায় বলা হয়, আসামিরা ১৫টি মহিষ ছিনিয়ে নেয় এবং তাদের কাজে বাধা দেয়। এ অবস্থায় আবিদুলসহ ১০ জন হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এরপর তাদের জামিন মঞ্জুর করে আদালত এ আদেশ দেন।

সারাবাংলা/এজেডকে/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন