বিজ্ঞাপন

ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ: মজনুরের বিরুদ্ধে ভিকটিমের সাক্ষ্যগ্রহণ

September 21, 2020 | 4:43 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনার দায়ের করা মামলায় আসামি মজনুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ভিকটিম।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭’র বিচারক বেগম মোসা. কামরুন্নাহারেরর আদালতে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী জবানবন্দি দেন। এরপর আসামি মজনুর পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী রবিউল ইসলাম রবি তাকে জেরা করেন। জেরা শেষে আদালত আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

এদিন আসামি মজনুকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলাটিতে ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে দুজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ২৬ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭’র বিচারক আসামি মজনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গত ১৬ মার্চ মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আবু সিদ্দিক সিএমএম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় চার্জশিট জমা দেন।

মামলাটি গত ৬ জানুয়ারি ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিন দুপুরে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে তার বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে রওনা হন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসটি ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে থামে। বাস থেকে নেমে ওই শিক্ষার্থী ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় সুযোগ বুঝে তাকে জাপটে ধরে এক ধর্ষক। এরপর ফুটপাতের পাশের ঝোঁপে নিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে।

আসামি ভিকটিমের কাছ থেকে একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন, একটি হাত ঘড়ি এবং নগদ দুই হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার রাতেই ওই শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় মজনু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি এই মজনু বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

সারাবাংলা/এআই/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন