বিজ্ঞাপন

রাজারবাগে অফিস সহকারী হত্যা মামলায় হাইকোর্টে সব আসামি খালাস

September 21, 2020 | 6:00 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজারবাগ পুলিশ টেলিকম অফিসের অফিস সহকারী গোলাম সামসুল হায়দার হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পাঁচ আসামি ও যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

বিজ্ঞাপন

তবে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান। অন্যদিকে আসামি আনোয়ার হোসেন সরকারের পক্ষে আইনজীবী এ কে এম ফজলুল হক খান ফরিদ শুনানি করেন। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সাইফুর রহমান রাহি।

পরে আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘এ মামলায় আসামিদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি। সাক্ষী এবং মামলার পারিপাশ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আদালত আসামিদের খালাস দিয়েছেন।’

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর মতিঝিলস্থ এজিবি কলোনীর সামনে দুষ্কৃতিকারীরা গোলাম সামসুল হায়দারকে জবাই করে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সামসুলের বড় ভাই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন। সামসুলের স্ত্রীর অভিযোগ, সামসুল হায়দারকে অফিসিয়াল দ্বন্দ্বের কারণে হত্যা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ মো. আ. লতিফ, কাজল মিয়া, আনোয়ার হোসেন সরকার এবং মো. হাফিজুল হোসেনের বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

এরপর ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামি মো. আব্দুল লতিফ, আনোয়ার হোসেন সরকার, মো. কাজল মিয়া, মো. হাফিজুল হোসেন ও বাবুল ওরফে তপন চক্রবর্তীকে মৃত্যদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। এছাড়া অপর আসামি মো. শামসুল আলম ও রাজন মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

পরে ২০১৫ সালে ওই মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন ও জেল আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ রায় ঘোষণা করেন।

সারাবাংলা/এজেডকে/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন