বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাস: জাতিসংঘেও যুক্তরাষ্ট্র-চীন উত্তেজনা

September 23, 2020 | 11:43 am

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য চীনকে দায়ী করে বক্তব্য দেওয়ার পর দেশ দুটির মধ্যে চলমান উত্তেজনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। খবর রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, এই বৈশ্বিক মহামারির জন্য চীনের কাছে জবাবদিহি চেয়েছেন ট্রাম্প। পক্ষান্তরে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার ভাষণে বলেছেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা চীনের নেই।

মহামারির মধ্যে এ বছর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন মূলত ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি সদস্য দেশের মাত্র একজন করে প্রতিনিধি অধিবেশনে তার দেশের প্রতিনিধিত্ব করায় কোনো একটি দেশের সঙ্গে অন্য একটি দেশের বাকযুদ্ধের সীমিত সুযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে, বরাবরের মতো অধিবেশনে ভাষণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের অর্জনগুলো জোরের সঙ্গে তুলে ধরার পাশাপাশি তার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। এমনিতেই, করোনাভাইরাসসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।

এ ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, অবশ্যই সেই জাতিকে জবাবদিহি করতে হবে, যারা বিশ্বে এই মহামারি ছড়িয়ে দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চীনের বিরুদ্ধে এই অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ভাইরাস সংক্রমণ শুরুর দিকে চীন নিজের দেশের মধ্যে ভ্রমণ বন্ধ করে দিলেও বিদেশিদের চীনত্যাগ এবং বিশ্বকে সংক্রমিত করতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু রেখেছে।

এমনকি চীন যখন অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল এবং নাগরিকদের ঘরে আটকে দিয়েছে তখনও তারা তাদের দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে করোনা মোকাবিলা নিয়ে ট্রাম্প নিজেও পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আগেও বেশ কয়েকবার তিনি বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন। চীন চাইলে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পারত বলে অভিযোগ করছেন তিনি।

অপরদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভাষণ দেন।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পর বক্তব্য দেওয়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সভ্যতার সংঘাতের ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

এছাড়াও, আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে অন্যদের সঙ্গে মতভিন্নতা ও বিতর্কের অবসানের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, কোনো দেশের অধিকার নেই বৈশ্বিক বিষয়াবলীকে প্রভাবিত করার বা, অন্যদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ কিংবা শুধু নিজের উন্নয়নের জন্য সুবিধা নেওয়ার।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন