বিজ্ঞাপন

মালেকের ‘দুর্নীতির’ দায় নিবে না স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর

September 23, 2020 | 10:35 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার গাড়িচালক আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের দায় নিতান্তই তার ব্যক্তিগত বলে দাবি করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির বরখাস্তকৃত গাড়িচালক আবদুল মালেকের সঙ্গে কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোস্তফা খালেদ আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর গঠিত হয়। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর এ প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রেষণে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরে গাড়িচালক আবদুল মালেককে ন্যস্ত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত এ অধিদফতরে কোনো কেনাকাটা, কর্মচারী নিয়োগ, পদায়ন বা পদোন্নতি হয়নি। কাজেই গাড়িচালক আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে মহাপরিচালকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কোনো পরিবহন পুল নেই বলেও জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র, জালনোটের ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে র‍্যাব-১-এর একটি দল স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের গাড়িচালক আবদুল মালেককে গ্রেফতার করে। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হলেও তার নামে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়। র‌্যাব জানায়, জাল টাকার ব্যবসা ছাড়াও তিনি এলাকায় চাঁদাবাজিতে জড়িত। শুধু তাই নয়, গ্রেফতারের পর বিভিন্ন ব্যাংকে তার নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে ঢাকায় তার সাতটি প্লটে চারটি বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে।

সারাবাংলা/এসবি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন