বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে হারলেও সহজে ক্ষমতা ছাড়বেন না ট্রাম্প!

September 24, 2020 | 1:44 pm

ছাবেদ সাথী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে

নিউইয়র্ক: নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০ এ হেরে গেলেও খুব সহজে ক্ষমতা ছাড়বেন না এমন আভাস দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি, পরাজিত হলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন কি না - এ ব্যাপারে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, পরাজিত হলে আগে দেখতে হবে আসলে কী ঘটেছে। মেইলইনভোটের ব্যাপারে ফের সন্দেহের কথা জানিয়ে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন।

বিজ্ঞাপন

আগেও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশ্নে ট্রাম্পের উত্তর ছিল - ফল দেখেই তিনি বলতে পারবেন ক্ষমতা ছাড়বেন কি না?

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউজের সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন?

বিজ্ঞাপন

জবাবে ট্রাম্প বলেন, তার বিশ্বাস মহামারির কারণে বর্ধিত সময়ে মেইলইনভোট না হলে ক্ষমতা হস্তান্তরেরই কোনো প্রয়োজনই থাকতো না।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক কর্মদিবসে নির্বাচন হয় বলে অনেক মানুষ সশরীরে ভোট দিতে পারেন না৷ কাজের সূত্রে দূরে থাকার কারণেও কারও কারও ভোট দিতে সমস্যা হয়। এমন সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে সেদেশে মেইলইনভোটের বিধান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ বছর করোনা সংকটের কারণে অসংখ্য ভোটার সেই সুযোগ গ্রহণ করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ডেমোক্রেটদের পক্ষ থেকে মেইলইনভোটের দাবি জানানো হলেও ট্রাম্প শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করছেন। এমনকি মেইলইনভোটের মাধ্যমে ডেমোক্রেটদের জালিয়াতি করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মেইলইনভোট বাতিল করলেই সব শান্তিপূর্ণ হতে পারে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

অপর দিকে, মেইলইনভোটের কারণে ফলাফল চূড়ান্ত হতে বিলম্ব হলে এ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঝামেলা করবেন বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। প্রায় ছয় মাস যাবৎ মেইলইনভোট নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন ট্রাম্প।

তবে, বিশেষজ্ঞ এবং ভোট কর্মকর্তারা ট্রাম্পের অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে বলছেন এই প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি কিংবা ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও এই প্রক্রিয়া নিয়মিত ব্যবহার করেছেন।

সর্বশেষ জনমত জরিপে দেখা গেছে, জাতীয়ভাবে ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন এখনও বেশ সুবিধাজনক অবস্থায় এগিয়ে আছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতেও দুই প্রার্থীর অবস্থান খুব কাছাকাছি। এর ফলে এবারের নির্বাচনের ফলাফল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং মেইলইনভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন