বিজ্ঞাপন

‘করোনাকালে হল ভাড়া করে জন্মদিন পালন করতে চান না শেখ হাসিনা’

September 27, 2020 | 4:55 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নেত্রী বলে দিয়েছেন, আমার জন্মদিবস করোনাকালে হল ভাড়া করে করতে হবে- এটা আমি চাই না। আমরা যেটা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজন করেছিলাম নেত্রীর অনিচ্ছার কারণে তা বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এই কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় মানবতার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষক আলোচনা অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনায় যুক্ত হন।

আলোচনা সভায় কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের বীজ, প্রতিবন্ধীদের মাঝে সহায়তা সামগ্রী ও বিভিন্ন হাসপাতালে উন্নত মানের মাস্ক বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপ-কমিটি। তবে আলোচনা অনুষ্ঠানে ত্রাণ ও চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি রাখার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।

বিজ্ঞাপন

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একদিকে সেমিনার, অন্যদিকে চিকিৎসা ও ত্রাণ সামগ্রীর বিতরণ; এটা একেবারেই সেলফ কনট্রাডিকটরি। এটা সেমিনার হবে; সেখানে বক্তারা আলোচনার পরে সভাপতি মতিয়া আপা যদি থাকেন তিনি বক্তব্য দেবেন। এর ভেতর অন্যকিছু যুক্ত করে একটা জগাখিচুড়ি পাকানোর কোনো দরকার ছিল না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, দেশে করোনা পরিস্থিতি বিরাজমান। এটি একটি বৈশ্বিক সংকট। এখন কোনো মিটিংয়ের কলেবর এক ঘণ্টা অতিক্রম করা উচিত নয়। আমরা মিটিং করতে করতে দুইটা বাজাব, এর পরে আর মিডিয়াও নিউজটা কভার করতে পারল না। এটা তো প্রোগ্রাম সাজানোর সময়ই চিন্তাভাবনা করা উচিত।’

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নেত্রী গতকাল আমাকে বলে দিয়েছেন যে, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের আলোচনা সভা এটা করা যাবে না। তিনি বলেছেন যে, আমার জন্মদিবস করোনাকালে হল ভাড়া করে করতে হবে, এটা আমি চাই না। সেজন্য আমরা আগামীকাল বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে মিলাদ মাহফিল করব। নেত্রীর অনিচ্ছায় আমরা যেটা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজন করেছিলাম তার পরিবর্তে আগামীকাল বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের এই কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির চেয়ারম্যান একেএম রহমতুল্লাহ।অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এ কিউ এম মাহবুব এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মফিজুর রহমান। সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং উপ-কমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দী।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন