বিজ্ঞাপন

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে টেলিযোগাযোগমন্ত্রীকে চিঠি

October 5, 2020 | 3:02 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: গ্রাহকের অভিযোগ নিষ্পত্তি ও গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। একইসঙ্গে অভিযোগ নিষ্পত্তিতে বিশেষ কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনে সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের সই করা চিঠিটি সচিবালয়ে জমা দেওয়া হয়। পাশাপশি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর ইমেইলেও চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে সাত কোটি গ্রাহক নিয়ে গ্রামীণফোন সর্বোচ্চ মুনাফাকারী ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হলেও গ্রাহক সেবা ও জবাবদিহিতায় গ্রামীণফোনের অবস্থান বর্তমানে সর্বনিম্নে। এ প্রতিষ্ঠান গ্রাহকের কাছে কোনো জবাবদিহিতা করে না। এরা সেবার নামে গ্রাহকের অর্থ লুটপাট ও প্রতারণায় লিপ্ত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কারণেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। গ্রামীণফোন আইন, নীতিমালা ও গ্রাহক স্বার্থ, এমনকি সেবার প্রতি দায়বদ্ধতাকে তুচ্ছ মনে করছে। এই প্রতিষ্ঠান বিটিআরসির এনওসি নিষেধাজ্ঞা ও আইন বহুবার লঙ্ঘন করেছে।

বিজ্ঞাপন

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এনওসি বন্ধ করার পরেও তারা নতুন নতুন প্যাকেজ অফার দিয়েছে। এমনকি জাতীয় স্লোগান জয়বাংলাকে নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে ওয়েলকাম টিউন হিসেবে ব্যবহার করেছে। এছাড়া একজন গ্রাহকের সিম অব্যবহৃত থাকার ১৫ মাস পর্যন্ত বন্ধ থাকার পরও আরও ৩০ দিন অব্যবহৃত যদি থাকে, তারপরই আইন অনুযায়ী ওই সিম বা নম্বর বিক্রয় করতে পারে অপারেটর। কিন্তু এর আগেও সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সিমও নিয়মভঙ্গ করে বিক্রি করার নজির রয়েছে গ্রামীণফোনের। সম্প্রতি আবুল বাশার নামে একজন গ্রাহক জিপির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তার চলতি সিম আরেকজনের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার কারণে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সারাদেশে ১৪টি সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে জিপি। এমনকি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারগুলোও বন্ধ করে দিচ্ছে। গ্রাহকরা তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারছে না। তাদের কল সেন্টার ১২১-এ ফোন করে উল্টো গ্রাহকের টাকাও কাটছে, আবার হয়রানিও বাড়ছে। কলড্রপের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা থাকলেও এখন তারা আর তা দিচ্ছে না। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল কলড্রপ করা যাবে না। আর কলড্রপ হলে ক্ষতিপূরণ সঙ্গেসঙ্গেই দিতে হবে। কিন্তু তারা কোনোটাই করছে না। এমন আরও অনেক অভিযোগের কথাই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন