বিজ্ঞাপন

ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড: ছাত্রলীগের আনন্দ র‍্যালি

October 13, 2020 | 5:44 pm

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাবি: ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে আনন্দ র‍্যালিটি শুরু করে ছাত্রলীগ। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা প্রদক্ষিণ শেষে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভায় ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০০০’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপ-ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। ওই আইনে বলা ছিল, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে, তাহলে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্ধদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। সংশোধিত আইনে ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আনন্দ র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান হয় বলেন, ‘ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবার আগে মাঠে নামে। কিন্তু ধর্ষকদের সহয়তাকারী নামসর্বস্ব সংগঠন ও কিছু ব্যক্তি এই ইস্যুতে মিথ্যা বলে সহমর্মিতা নেওয়ার চেষ্টা করছে।’

এসময় আল নাহিয়ান খান জয় সংশোধিত আইনে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা ধন্যবাদ জানাই, আমাদের যে অনুরোধ ছিল প্রাণপ্রিয় নেত্রী তা রেখেছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবার দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞ।’

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘জনগণের আবেদনে সাড়া দিয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই গতকালের মন্ত্রীসভায় ২০০০ সালের যে নারী নির্যাতন আইন ছিল সেই আইনের খসড়া সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড হিসাবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিসি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন