বিজ্ঞাপন

সরকারি দরের সীমা ছাড়িয়ে আলু, ঝাল কমছে কাঁচামরিচের

October 16, 2020 | 1:48 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাজারে কাঁচামরিচের দাম রেকর্ড ৩০০ টাকা অতিক্রম করেছিল। প্রায় তিনগুণ দামে বিক্রি হওয়া এই পণ্যটির দাম এখনো আগের অবস্থানে আসেনি। তবে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজিতে এখন কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে। আর সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করে দিলেও পাইকারি বাজারেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা কেজিতে। খুচরা বাজারে সবজি জাতীয় এই পণ্যটির দাম এখনও ৫০ টাকা। ফলে কাজে আসেনি সরকারের দর বেঁধে দেওয়ার উদ্যোগ।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া সরকার পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম নির্ধারণ করে দিলেও খুচরায় চালের দাম এখনও আগের মতোই রয়েছে। পেঁয়াজের বাজারও স্থির রয়েছে। সার্বিকভাবে বাজারে সবজিসহ কোনো পণ্যের দামই কমছে না।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) কারওয়ানবাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে।

কারওয়ানবাজারের পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮৩ টাকা, বার্মা ৭৬ ও চায়না ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণ খুবই কম। আর খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা দোকানগুলোতে আমদানিকৃত পেয়াজ নেই বললেই চলে। এছাড়া কারওয়ান বাজারে চায়না আদা ২৩০ টাকা, চায়না রসুন ৮৫ থেকে ৯০ টাকা ও দেশি রসুন ১১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া, পাইকারি বাজারে আলু ২২০ টাকা পাল্লা বা ৪৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে আলুর দাম ৫০ টাকা। একাধিক বিক্রেতা জানিয়েছেন, বাড়তি আলুর দাম আর কমেনি।

সবজির মধ্যে কারওয়ানবাজারে বেগুন ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, বটবটি ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা ও গাজর ৭০ টাকা, কাঁচামরিচ ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এই বাজারের বিক্রেতা আনিস সারাবাংলাকে বলেন, ‘কিছু সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। নতুন করে আরও কিছু সবজির দাম বেড়েছে।’

আর মহাখালীর বউবাজারে সবজির মধ্যে পেঁপে ৩৫ টাকা, ঢেঁরস ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, সিম ১২০, বেগুন ৮০ টাকা ও করল্লা ৮০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফুলকপি ৫০ ও পাতা কপি ৫০ এবং লাউ ৬০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে৷

বিজ্ঞাপন

আর এই বাজারে শশা ৮০ টাকা ও কাঁচামরিচ ২৪০ থেকে থেকে ৩০০ টাকা টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ৪০ টাকা হালিতে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা ও আদা ২০০ থেকে ২৬০ টাকা ও আলু ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এই বাজারের সবজি বিক্রেতা সেলিম সারাবাংলাকে বলেন, ‘দুয়েকটি সবজির দাম কমেছ। কিন্তু বাজার এখনো বাড়তিই রয়েছে।’

এদিকে, বাজারে চালের দাম গেল সপ্তাহের মতোই স্থির রয়েছে। সরকার পাইকারি পর্যায়ে বা মিল গেটে চালের দাম নির্ধারণ করে দিলেও বাজারে আগের দামেই চাল বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে মিনিকেট ৫৫ থেকে ৬০টাকা, আটাশ ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৬০ থেকে ৬২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চালের দাম পড়ছে ২৭৫০ থেকে ২৮০০ টাকা, আটাশ ২৪০০ টাকা ও নাজিরশাইল ২৩০০ থেকে থেকে ৩০০০ টাকা।

বিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক গাফফার হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, ‘চালের দাম আগের মতোই রয়েছে’

বিজ্ঞাপন

মহাখালীর বউবাজারের দোকানী শরিফ মিয়া বলেন, ‘চালের দাম এখনো বাড়তি রয়েছে।’

কারওয়ানবাজারের হাজী ইসমাইল এন্ড সন্সের মালিক জসিম উদ্দিন সারাবাংলাকে বলেন, ‘নতুন করে চালের দাম আর কমেনি। তবে চালের বাজার এখন কিছুটা স্থির।’

এদিকে, কারওয়ানবাজারে গরু ৬০০ ও খাসি ৯০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর ব্রয়লার মুরগি ১৩০টাকা, পাকিস্তানি কর্ক ২২০ টাকা ও সাদা কর্ক ২০০ ও দেশি মুরগি ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে পোল্ট্রি মুরগির দাম কিছুটা বাড়লেও দেশি মুরগির দাম কমেছে।

সারাবাংলা/ইএইচটি/এমও

Tags: , , , ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন