বিজ্ঞাপন

গণতন্ত্রের মুক্তি তরুণদের হাতে, প্রয়োজন গণ আন্দোলন: জাফরুল্লাহ

October 17, 2020 | 4:45 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশের নিপীড়িত শোষিত মানুষের মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার একমাত্র তরুণদের পক্ষেই সম্ভব বলে মন্তব্য করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘এ জন্য প্রয়োজন গণআন্দোলন।‘

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের দেশে কেউ না খেয়ে নাই। হ্যাঁ, না খেয়ে নাই, কথাটা কিছুটা সত্য। কিন্তু না খেয়ে না থাকলেও যথার্থ পুষ্টি নাই। সেটা আরও খারাপ। না খেয়ে থাকলে আন্দোলন হবে মানুষ ক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু মানুষ এখন খেতে পাচ্ছে বলে আন্দোলন করার স্পৃহাটা নেই। এটাই পুঁজিবাদের ধর্ম।’

বিজ্ঞাপন

তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের বয়স হয়েছে। এখন আমাদের অবলম্বন তরুণরা। তারাই বাংলার নিপীড়িত মানুষকে মুক্তি দেবে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে। তাই তরুণরা তোমাদের কাজটি ঠিক মতো করো। চিন্তা করো না। শুধু দেখো তোমাদের পাশে আমরা আছি কি না। সামনে থাকবে তোমরা, পিছনে থাকবো আমরা। তবেই পরিবর্তন আসবে।’

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ‘আইন করলেই ধর্ষণ বন্ধ হবে না। ফাঁসির আদেশ দিয়ে ধর্ষণ ঠেকানো যাবে না। মূলত আমাদের দেশে যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। রাজনৈতিক প্রভাবে যেভাবে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। ফাঁসি দিলেও তাতে ধর্ষণ বন্ধ হবে না।’

বিজ্ঞাপন

নুর বলেন, ‘এই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ৯০-এ যেভাবে আন্দোলন হয়েছিল সেভাবেই আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আমাদের দাবি একটাই, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যদি সংবিধান সংশোধন করে আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে হয় তাহলে সেটাই করতে হবে। রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য, আইনও জনগণের জন্য। তাই রাষ্ট্র এবং জনগণের প্রয়োজনে আইনকে ১০০ বার সংশোধন করা যাবে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক কাউন্সিলর মো. ফরিদ উদ্দিনসহ অনেকে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএইচ/এমআই

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন