বিজ্ঞাপন

আন্দোলনে নর্থ সাউথের শিক্ষার্থীরা, ফি কমানোসহ ৬ দফা দাবি

October 20, 2020 | 11:28 am

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনা সংক্রমণের বন্ধের সময়েও বেশি এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ দেখিয়ে বাড়তি টিউশন ফি আদায় করায় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছয় দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনের শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টির এক নম্বর গেট দখল করে রেখেছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ করে জানা যায়, গতকাল সোমবার দুপুর থেকে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন। এসময় তারা কয়েকবার মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়টির চারপাশ ঘুরে বেড়ায়।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আন্দোলনকারীদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে সারাবাংলাকে বলেন, ‘সব শিক্ষার্থীর ২০ শতাংশ টিউশন ফি ওয়েভার, অর্থনৈতিক সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের শতভাগ ওয়েভার প্রদান, সেমিস্টার ফির সঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করা, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করাসহ ছয়টি সুনির্দিষ্ট দাবি নিয়ে তারা আন্দোলন করছেন।’ সুপরিচিত এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি করোনাকালেও তার ‘মহাজনসুলভ’ আচরণ থেকে বের হতে পারেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের পর আমরা অনলাইনে ক্লাস করছি। ক্যাম্পাসে একটি বারের জন্যও যাওয়া হচ্ছে না। তাহলে কেন আমাদেরকে লাইব্রেরি ফি, ল্যাব ফি বা একটিভিটি ফি দিতে হবে? এটা কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাকি বাণিজ্যিক ব্যাংক? কর্তৃপক্ষকে আমাদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।’

জানা যায়, আন্দোলন করে দাবি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলামকে অবরুদ্ধ করেছিল। সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের আলোচনায় দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়। তবে দাবি বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস ছাড়া আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞাপন

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সারাবাংলাকে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো বিবেচনা করার জন্য আজ একটি সভায় বসছে। এখানে সিদ্ধান্ত হতে পারে শিক্ষার্থীদের কোন কোন দাবিগুলো মানা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কথা না বলেই ফোন কলটি কেটে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/টিএস/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন