বিজ্ঞাপন

ইরফান ও তার দেহরক্ষীর দুই মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

October 29, 2020 | 12:09 am

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর চকবাজার থানায় দায়ের করা অস্ত্র ও মাদকের পৃথক ৪ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইরফান ও জাহিদের বিরুদ্ধে পৃথক চার মামলার এজাহার আদালতে আসলে তা গ্রহণ করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী। এরপর চকবাজার থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনকে মামলাটি তদন্ত করে আগামী ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

অপর মাদকের পৃথক দুই মামলায়ও এজাহার গ্রহণ করে আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ আগামী ৩ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের গাড়িটি তাকে ধাক্কা মারে। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে এরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে তাকে মারধর করেন।

ওই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন

ওই দিনই পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফানের বাবা হাজী সেলিমের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিমকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। ইরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদকে অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের সাজা দেন।

ওই ঘটনায় র‌্যাব-৩ এর ডিএডি কাইয়ুম ইসলাম চকবাজার থানায় ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এআই/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন